1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জনকে ঘিরে দুর্নীতি, অনিয়ম, মাদক সেবন ও নারী কর্মচারীর সঙ্গে অসদাচরণের তদন্তের পরও বহাল থাকার কারণ কী? তালায় সার্জিক্যাল ক্লিনিক মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় আর কত প্রাণ গেলে জাগবে প্রশাসন? সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের বিজিবি সদস্য ইমরানের সঙ্গে ভোমরার কথিত মাদক ব্যবসায়ী কবির হোসেনের মেয়ের সম্পর্ক কী? ভাইরাল ছবি নিয়ে নানা প্রশ্ন প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা অফিস সহায়ক ইমরান হোসেনকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে দৈনিক সোনার বাংলাদেশের অবস্থান সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট

সাতক্ষীরা আশাশুনি অপহরণ ও চাঁদাবাজির ৫ লক্ষ টাকা আদায়. আরো দুইজনের নাম উঠে এসেছেন

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৬৪ বার পঠিত

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রকে ঘিরে অপহরণ, চাঁদাবাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে প্রকাশিত তিন পর্বের ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন জেলাজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। প্রতিটি পর্বে উঠে এসেছে নতুন নতুন অভিযোগ ও তথ্য, যা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।ভুক্তভোগী মোঃ শাহাদাত শেখ, গ্রাম: পশ্চিমকান্দি, ইউনিয়ন: কলাবাড়ী, উপজেলা: কোটালীপাড়া, জেলা: গোপালগঞ্জ—অভিযোগ করেন, তাকে অপহরণসদৃশ পরিস্থিতিতে আটকে রেখে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। পরবর্তীতে জোরপূর্বক মোট ৫ লক্ষ টাকা আদায় করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।
তার আরও অভিযোগ, নগদ অর্থের পাশাপাশি তার কাছ থেকে একটি সোনার চেন ও একটি স্বর্ণের আংটিও নিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় বুধহাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই হাসান ও কনস্টেবল আসাদ জড়িত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় বিকাশের দোকানদার সোহাগ, ইজাজ নামও উল্লেখ করেছেন।
তিন পর্বের অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, এ ধরনের অভিযোগ শুধু একজনের নয়—আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী নীরবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। যদিও নিরাপত্তার কারণে তারা প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাননি।প্রতিবেদন প্রকাশের পর ঘটনাটি সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ প্রশাসনের নজরে আসে। জেলা পুলিশ সুপার আরফিন জুয়েল বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তা আইনের ঊর্ধ্বে নন। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, তিন পর্বের ধারাবাহিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় এখন প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তই পারে সত্য উদঘাটন করতে এবং সাধারণ মানুষের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park