1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট নিজের নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকের নামে মামলা? মীর শাহীনকে ঘিরে পুরোনো মামলার নথি, ব্যবসা ও পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্ন তালা কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক হাফিজুর রহমান সরকারি ওষুধ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ শতভাগ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

মাদক ছাড়া চলেন না সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন? ৪০ পর্বের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের দ্বিতীয় পর্ব

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯৯ বার পঠিত

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন আব্দুস সালামকে ঘিরে নানা অভিযোগের ধারাবাহিক অনুসন্ধানের দ্বিতীয় পর্বে এবার সামনে এসেছে মাদক সেবনের অভিযোগ। অভিযোগকারীদের দাবি, মাদক ছাড়া নাকি চলেন না জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য বিভাগের এই কর্মকর্তা। তবে এই অভিযোগের সত্যতা কতটুকু—তা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা জরুরি।
একজন জেলা সিভিল সার্জন জেলার স্বাস্থ্য প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকেন। তাঁর অধীনে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এমন একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মাদক সেবনের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগ রয়েছে, ব্যক্তিগত জীবনযাপন ও আচরণ নিয়ে আব্দুস সালামকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের আলোচনা হয়েছে। এরই মধ্যে মাদক সেবনের অভিযোগ নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তবে শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে মাদকসেবী হিসেবে চিহ্নিত করা সাংবাদিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণযোগ্য নয়। এ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন নির্ভরযোগ্য নথি, প্রত্যক্ষ প্রমাণ, তদন্ত প্রতিবেদন অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য।তদন্ত হয়েছে কি?সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—সিভিল সার্জন আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কখনো কোনো তদন্ত হয়েছে কি না। হয়ে থাকলে তদন্তের ফলাফল কী? কোনো লিখিত প্রতিবেদন বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না—এসব তথ্য এখন জনসমক্ষে আসা প্রয়োজন।অভিযোগকারীদের বক্তব্যের পাশাপাশি অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আব্দুস সালাম অভিযোগটি অস্বীকার করলে তাঁর বক্তব্য যথাযথভাবে প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে অভিযোগের পক্ষে যাঁরা বক্তব্য দিয়েছেন, তাঁদের কাছ থেকেও সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ নেওয়া প্রয়োজন।সত্য উদঘাটনই অনুসন্ধানের লক্ষ্যএই ধারাবাহিক প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে হেয় করা নয়। বরং একজন সরকারি কর্মকর্তাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা, প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট নথি এবং কর্তৃপক্ষের অবস্থান পাঠকের সামনে তুলে ধরা।সিভিল সার্জনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যদি গুরুতর কোনো অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তাহলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আর অভিযোগ যদি মিথ্যা বা ভিত্তিহীন হয়, তাহলেও তদন্তের মাধ্যমে সেটি পরিষ্কার হওয়া জরুরি।
তাই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগের সত্যতা কতটুকু? অভিযোগের পেছনে কি কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ রয়েছে, নাকি এটি শুধুই অপপ্রচার?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই চলবে আমাদের ৪০ পর্বের অনুসন্ধানী ধারাবাহিক প্রতিবেদন।
চলবে…
তৃতীয় পর্বে: সিভিল সার্জন আব্দুস সালামকে ঘিরে ওঠা অন্যান্য অভিযোগ—কী বলছেন অভিযোগকারী ও সংশ্লিষ্টরা?

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park