1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জনকে ঘিরে দুর্নীতি, অনিয়ম, মাদক সেবন ও নারী কর্মচারীর সঙ্গে অসদাচরণের তদন্তের পরও বহাল থাকার কারণ কী? তালায় সার্জিক্যাল ক্লিনিক মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় আর কত প্রাণ গেলে জাগবে প্রশাসন? সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের বিজিবি সদস্য ইমরানের সঙ্গে ভোমরার কথিত মাদক ব্যবসায়ী কবির হোসেনের মেয়ের সম্পর্ক কী? ভাইরাল ছবি নিয়ে নানা প্রশ্ন প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা অফিস সহায়ক ইমরান হোসেনকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে দৈনিক সোনার বাংলাদেশের অবস্থান সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট

১৪তম গ্রেডের চাকরি, অথচ সম্পদের পাহাড়? তেতুলঝোড়া ইউপির সাবেক সচিব মীর আব্দুল বারেককে ঘিরে বাড়ছে প্রশ্ন

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৬৩ বার পঠিত

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:
একজন ১৪তম গ্রেডের ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের চাকরি করে কীভাবে অল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিক হওয়া সম্ভব—এ প্রশ্ন এখন সাভার ও ধামরাই এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
তেতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব এবং বর্তমানে ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত মীর আব্দুল বারেককে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা অভিযোগ ও প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরে ঘুরপাক খেলেও, অভিযোগকারীদের দাবি অনুযায়ী এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর তদন্ত বা পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, সরকারি বরাদ্দ ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে কোনো সরকারি সংস্থা এখনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।
সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন
স্থানীয়দের দাবি, কয়েক বছর আগেও তার জীবনযাত্রা ছিল সাধারণ। কিন্তু অল্প সময়ের ব্যবধানে বহুতল ভবন, মূল্যবান জমি, ফ্ল্যাটসহ বিভিন্ন সম্পদের মালিকানা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন, একজন ১৪তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীর বৈধ আয় এবং তার নামে বা পরিবারের নামে প্রচারিত সম্পদের পরিমাণের মধ্যে কোনো অসামঞ্জস্য রয়েছে কি না—তা স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
তদন্তের দাবি
এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ—বিশেষ করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও স্থানীয় প্রশাসন—যদি নিরপেক্ষ অনুসন্ধান চালায়, তাহলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে। অভিযোগ সত্য হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, আর অভিযোগ মিথ্যা হলে সেটিও জনগণের সামনে স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
পরবর্তী পর্বে
পরবর্তী প্রতিবেদনে থাকবে—মীর আব্দুল বারেকের নামে ও বেনামে সম্পদ কেনার অভিযোগ, স্থানীয়দের বক্তব্য এবং অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য (যদি পাওয়া যায়)।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park