1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জনকে ঘিরে দুর্নীতি, অনিয়ম, মাদক সেবন ও নারী কর্মচারীর সঙ্গে অসদাচরণের তদন্তের পরও বহাল থাকার কারণ কী? তালায় সার্জিক্যাল ক্লিনিক মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় আর কত প্রাণ গেলে জাগবে প্রশাসন? সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের বিজিবি সদস্য ইমরানের সঙ্গে ভোমরার কথিত মাদক ব্যবসায়ী কবির হোসেনের মেয়ের সম্পর্ক কী? ভাইরাল ছবি নিয়ে নানা প্রশ্ন প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা অফিস সহায়ক ইমরান হোসেনকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে দৈনিক সোনার বাংলাদেশের অবস্থান সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট

পাটকেলঘাটায় ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন কারখানার বর্জ্যে দম বন্ধ এলাকাবাসীর

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫২ বার পঠিত

সাতক্ষীরা অফিস:সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় অবস্থিত ‘ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভান্ডার’-এর কারখানার বর্জ্যে এখন পুরো এলাকা যেন এক বিষাক্ত গ্যাস চেম্বারে পরিণত হয়েছে। তীব্র গরমে পচা বর্জ্যের অসহনীয় দুর্গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসছে স্থানীয়দের। অসুস্থতা, বমি ভাব ও শ্বাসকষ্টে ভুগছেন অনেকেই। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দিনের পর দিন কারখানার বর্জ্য খোলা জায়গায় ও খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাশেই ফেলে রাখা হচ্ছে যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু দুর্গন্ধই নয়, এই বর্জ্য থেকে ছড়িয়ে পড়ছে নানা রোগজীবাণু। মাছি, পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়ে গেছে আশঙ্কাজনকভাবে। অভিযোগ উঠেছে, সেই মাছি মিষ্টির উপর বসছে, এমনকি মিষ্টির ভেতরেও পোকামাকড় পাওয়া গেছে যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি।

এক ক্ষুব্ধ পথচারী মাধব দাশ বলেন, এটা কোনো কারখানা না, এটা একটা বিষের ডাম্পিং স্টেশন! আমরা কি এখানে মানুষ হয়ে থাকতে পারব না? প্রশাসন কি সব দেখেও না দেখার ভান করছে?

কামরুল ইসলাম নামে আরেক পথচারী বলেন, রাস্তার পাশে এভাবে বর্জ্য ফেলায় যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, দুর্গন্ধে পথচারীরাও নাক চেপে চলাচল করছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার ফোন করলেও কল রিসিভ না করায় কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো এত অভিযোগ, এত ভোগান্তির পরও প্রশাসনের ভূমিকা একেবারেই নীরব। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, কার স্বার্থে এই নীরবতা? কেন নেওয়া হচ্ছে না কোনো ব্যবস্থা?

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই কারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে আনা হোক, নতুবা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন তারা। এখন দেখার বিষয় প্রশাসন কবে জাগবে, নাকি কোনো বড় দুর্ঘটনার পরই তারা নড়েচড়ে বসবে?

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park