1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জনকে ঘিরে দুর্নীতি, অনিয়ম, মাদক সেবন ও নারী কর্মচারীর সঙ্গে অসদাচরণের তদন্তের পরও বহাল থাকার কারণ কী? তালায় সার্জিক্যাল ক্লিনিক মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় আর কত প্রাণ গেলে জাগবে প্রশাসন? সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের বিজিবি সদস্য ইমরানের সঙ্গে ভোমরার কথিত মাদক ব্যবসায়ী কবির হোসেনের মেয়ের সম্পর্ক কী? ভাইরাল ছবি নিয়ে নানা প্রশ্ন প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা অফিস সহায়ক ইমরান হোসেনকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে দৈনিক সোনার বাংলাদেশের অবস্থান সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট

মাত্র দু’জন আসামিকে ফাঁসি দিয়ে মূল দোষী ও হত্যার নেপথ্যে পরিকল্পনাকারী এবং নির্দেশ দাতাদের সামান্য শাস্তি দেয়া হয়েছে আবু সাঈদের বাবা

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৭ বার পঠিত

জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার মা-বাবা ও স্বজনরা। তার বাবা মকবুল হোসেন বলেছেন, বিচারে মাত্র দুইজনের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আরও অনেক অপরাধীদের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই। তো অনেক আসামি তো ছাড়ে-আড়ে গেছে, যারা অপরাধী। এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই। কড়াভাবে সাজা দেওয়া উচিত ছিল।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রংপুরে আবু সাঈদের কবরের পাশে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।আবু সাঈদের বাবা বলেন, মাত্র দু’জন আসামিকে ফাঁসি দিয়ে মূল দোষী ও হত্যার নেপথ্যে পরিকল্পনাকারী এবং নির্দেশ দাতাদের সামান্য শাস্তি দেয়া হয়েছে। আইনজীবী ও পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি পোমেল বড়ুয়া আবু সাঈদের সাথে সবচেয়ে বেশি খারাপ আচরণ করেছে এবং হত্যার পেছনে জড়িত। তাকে মাত্র ১০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে।প্রসঙ্গত, আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফুজ্জামান , সাবেক পুলিশ পরিদর্শক রবিউল ইসলাম নয়ন ও এসআই বিভূতি ভূষণ রায়।বাকি সাজা প্রাপ্তরা হলেন, বেরোবির শিক্ষক মশিউর রহমান ও শিক্ষক আসাদুজ্জামান মন্ডল, বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশিদ ও রংপুরের সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামানের ১০ বছরের কারাদণ্ড। আর ডা. সারোয়াত হোসেন, সাবেক এডিসি আবু মারুফ হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শাহ নূর আলম পাটোয়ারী ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামকে ৫ বছরের কারাদণ্ড।অন্যদিকে, বেরোবি ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহাফুজুর রহমান শামীম, সহ-সভাপতি ফজলে রাব্বী, সহ-সভাপতি আখতার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সেজান আহম্মেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় কুমার ও দফতর সম্পাদক বাবুল হোসেনকে ৩ বছরের কারাদণ্ড

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park