1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জনকে ঘিরে দুর্নীতি, অনিয়ম, মাদক সেবন ও নারী কর্মচারীর সঙ্গে অসদাচরণের তদন্তের পরও বহাল থাকার কারণ কী? তালায় সার্জিক্যাল ক্লিনিক মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় আর কত প্রাণ গেলে জাগবে প্রশাসন? সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের বিজিবি সদস্য ইমরানের সঙ্গে ভোমরার কথিত মাদক ব্যবসায়ী কবির হোসেনের মেয়ের সম্পর্ক কী? ভাইরাল ছবি নিয়ে নানা প্রশ্ন প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা অফিস সহায়ক ইমরান হোসেনকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে দৈনিক সোনার বাংলাদেশের অবস্থান সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট

বিস্ফোরক মামলায় কৃষক লীগ নেতা আব্দুর রহমান নবাব গ্রেফতার

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৮০ বার পঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর জেলা জুড়ে বিস্ফোরক ও নাশকতার নেতৃত্বদাতা কৃষক লীগ নেতা নবাব গ্রেফতার! চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় নাশকতার অভিযোগে বিস্ফোরক মামলার আসামি ও কৃষক লীগ নেতা আব্দুর রহমান নবাবকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে! গত ১৮ ডিসেম্বর সদর মডেল থানাধীন পিটিআই মোড় এলাকায় পেট্রোল পাম্পের পাশে রাস্তার ওপর ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় দায়েরকৃত বিস্ফোরক মামলায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
একাধিক মামলার আসামি ও মাদক সংশ্লিষ্টতা
অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত নবাবের বিরুদ্ধে কেবল বিস্ফোরক মামলাই নয়,বরং মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের মতে, তিনি এলাকায় একজন চিহ্নিত মাদকাসক্ত এবং প্রতারক সিন্ডিকেটের সাথে তার দীর্ঘদিনের যোগসূত্র রয়েছে। তার বিরুদ্ধে এর আগেও থানায় একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে পরিচিতি
অভিযোগ রয়েছে,গত ১৫ বছর স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নবাব এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। কৃষক লীগের পদ ব্যবহার করে তিনি সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করতেন। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান চলাকালীন আন্দোলনকারীদের দমনেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে জানা গেছে।তবে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক দপ্তরে রয়েছে একাধিক অভিযোগ। অন্যদিকে জানতে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম জানান,গ্রেফতারকৃত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অন্যান্য সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ভোল পাল্টে ভয়ঙ্কর এক অপরাধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন কৃষক লীগ নেতা আব্দুর রহমান নবাব। রাজনৈতিক পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তিনি এখন দেশের অন্যতম শীর্ষ ‘আদম পাচারকারী’ ও ‘প্রতারক সিন্ডিকেট’এর হোতা। নবাবের ‘আদম সাম্রাজ্য’গণঅভ্যুত্থানের আড়ালে যখন দেশ পুনর্গঠনের কাজ চলছে,ঠিক তখনই নিজের ভাগ্য বদলে মত্ত হয়ে উঠেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষক লীগের বিতর্কিত নেতা আব্দুর রহমান নবাব। রাজনৈতিক ভোল পাল্টে তিনি এখন নেমেছেন ‘মানুষ কেনা-বেচার’নোংরা খেলায়। এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাঠানোর নাম করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার এক বিশাল ‘প্রতারণা সিন্ডিকেট’ গড়ে তুলেছেন এই তথাকথিত নেতা।যেভাবে চলে প্রতারণার জাল,অনুসন্ধানে জানা যায়,নবাবের এই সিন্ডিকেট দেশজুড়ে বিস্তৃত।তার প্রধান টার্গেট মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত তরুণ সমাজ। এশিয়া ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে আকর্ষণীয় বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তিনি বিছিয়ে রেখেছেন দালালের নেটওয়ার্ক। প্রথমে ভুয়া ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা দেখিয়ে বিশ্বাস অর্জন।ধাপে ধাপে ভিসা প্রসেসিংয়ের নামে হাতিয়ে নেওয়া হয় ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা। আর এই টাকা নেওয়ার পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও বিদেশ যাত্রা আর হয় না। শেষ পর্যন্ত ভুক্তভোগীরা বুঝতে পারেন তারা একটি সুসংগঠিত প্রতারক চক্রের হাতে পড়েছেন। তাই এই ঢাকায় রাজকীয় ‘টর্চার ও ডিল’ সেল
অবৈধ পথে উপার্জিত কালো টাকা দিয়ে ঢাকার অভিজাত এলাকায় নবাব গড়ে তুলেছেন রাজকীয় অফিস। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, এই অফিসটি মূলত দালাল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের প্রধান কেন্দ্র। বাইরে থেকে চাকচিক্যময় মনে হলেও ভেতরে চলে প্রতারণার ব্লু-প্রিন্ট। কোনো ভুক্তভোগী টাকা ফেরত চাইলে তাকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।রিমোট কন্ট্রোলে চলছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষক লীগ ঢাকায় বসে বিলাসী জীবনযাপন করলেও নবাবের প্রভাব কমেনি নিজ জেলা তারই চাঁপাইনবাবগঞ্জে, অভিযোগ রয়েছে,তার এই অবৈধ আয়ের একটি বড় অংশ ব্যয় করা হয় স্থানীয় কৃষক লীগের নেতা-কর্মীদের পেছনে। তাদেরকে মাসোহারা দিয়ে এবং ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি পুরো জেলার একটি অংশকে নিজের পকেটে রেখেছেন। ঢাকা থেকেই তিনি নিয়ন্ত্রণ করছেন জেলার তৃণমূল পর্যায়ের সব কর্মকাণ্ড,যা ওই এলাকার ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের প্রশাসনের প্রতি আহ্বান,একজন রাজনৈতিক নেতার আড়ালে এমন ভয়ংকর আদম ব্যবসায়ীর উত্থান জনমনে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। দ্রুত এই প্রতারক সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে আব্দুর রহমান নবাবের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভুক্তভোগীদের টাকা উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park