
নিজস্ব প্রতিবেদক:সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (বিজিবি) সদস্য ইমরানকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে বিজিবি সদস্য ইমরানের সঙ্গে ভোমরা এলাকার শ্রেষ্ঠ মাদক ব্যবসায়ী কবির হোসেনের মেয়েকে দেখা যাচ্ছেন। তবে ছবিটি আসল, নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি বা সম্পাদনা করা হয়েছে—তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই জানতে চাইছেন, বিজিবি সদস্য ইমরানের সঙ্গে ওই তরুণীর প্রকৃত সম্পর্ক কী এবং ছবিটি কোন সময় ও কোন পরিস্থিতিতে ধারণ করা হয়েছিল। একই সঙ্গে ছবিটির সত্যতা যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।
এদিকে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে, ভোমরা এলাকার কবির হোসেনের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততার নানা অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত ও প্রমাণের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। কবির হোসেনের মেয়ের সঙ্গে বিজিবি সদস্য ইমরানের ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকলে সেটিও নিজে কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়; বরং প্রশ্ন হচ্ছে, ওই সম্পর্কের সঙ্গে কোনো ধরনের অনৈতিক বা আইনবহির্ভূত যোগাযোগের যোগসূত্র রয়েছে কি না।
একজন অসহায় যুবককে ফাঁসানোর অভিযোগ
অন্যদিকে বিজিবি সদস্য ইমরানের বিরুদ্ধে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ভোমরা ইউনিয়ন এর শামীম নামে এক যুবককে মাদক দিয়ে ফাসিয়ে দিয়েছিলেন এই বিজিবি সদস্য ইমরান। অভিযোগটি সত্য হলে কীভাবে ওই যুবককে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, কারা এতে জড়িত ছিলেন এবং এর পেছনে কোনো ব্যক্তিগত বা অন্য কোনো স্বার্থ কাজ করেছিল কি না—এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আসা প্রয়োজন।
ছবিটি কি সত্যিই AI-generated?
বর্তমানে AI প্রযুক্তির মাধ্যমে বাস্তবসম্মত ছবি তৈরি ও পুরোনো ছবিতে ব্যক্তিকে সংযুক্ত বা পরিবর্তন করা সম্ভব। ফলে শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ভিত্তিতে সাধারণ জনগণের ভিতরে আলোচনা ঝর চলছে । ছবিটির মূল উৎস, প্রথম কোথায় প্রকাশিত হয়েছিল, মূল ফাইলের তথ্য এবং প্রয়োজন হলে ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা যেতে পারে।
তদন্তের দাবি বিজিবি সদস্য ইমরানকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ, ভাইরাল ছবির সত্যতা এবং অসহায় যুবককে ফাঁসানোর অভিযোগ—সবকিছু নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয় সদস্য ইমরান হোসেনের নাম্বারে কয়েকবার ফোন দিলেই ফোনটি রিসিভ না করাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি