সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের পক্ষ থেকে সম্প্রতি একজন নারীকে কেন্দ্র করে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হলে বিষয়টি দৈনিক সোনার বাংলাদেশ-এর নজরে আসে। এরপর পত্রিকার পক্ষ থেকে ঘটনাটির প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে অনুসন্ধান শুরু করা হয়।
অনুসন্ধানের সময় ওই নারীর দেওয়া পরিচয়, কর্মস্থল এবং সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে নার্স হিসেবে কর্মরত থাকার দাবিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য যাচাই করার চেষ্টা করা হয়। অনুসন্ধানে ওই নারী সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের নার্স হিসেবে কর্মরত—এমন দাবির পক্ষে যথাযথ প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নারী নিজেও পরবর্তীতে নিজের বক্তব্য প্রদান করেন এবং পূর্বের ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। ফলে দৈনিক সোনার বাংলাদেশ মনে করে, বিষয়টি নিয়ে কাউকে হেয় করা বা ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা নয়; বরং তথ্য যাচাই করে প্রকৃত বিষয়টি পাঠকের সামনে তুলে ধরাই সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব।দৈনিক সোনার বাংলাদেশ স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে, মানববন্ধন বা কোনো পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। বরং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও প্রমাণ যাচাই করেই সংবাদ প্রকাশ করা হবে।
সংশ্লিষ্ট নারী যদি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে নার্স হিসেবে কর্মরত না হয়ে থাকেন, তাহলে তার পরিচয় ব্যবহার করে এমন দাবি করার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আসা প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি।
দৈনিক সোনার বাংলাদেশ কারও সম্মানহানি করতে চায় না। একই সঙ্গে কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম বা পরিচয় ব্যবহার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়ে থাকলে সেটিও জনগণের সামনে পরিষ্কার করা সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব।
— কর্তৃপক্ষ
দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
“সত্যের সন্ধানে ছুটে চলা”