নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
ঢাকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লিটুস লরেন্স চিরানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের অভিযোগ নিয়ে প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে। অভিযোগগুলোকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, ঢাকা জেলায় দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সচিবকে আকস্মিক বদলির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম হয়। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ওই বদলির পেছনে আর্থিক লেনদেনের বিষয় জড়িত থাকতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।
এছাড়া, বিভিন্ন মহলে আলোচিত ও বিতর্কিত ইউপি সচিব মীর বারেককে কথিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বহাল বা পুনর্বহালের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও নীতিমালার যথাযথ অনুসরণ না করেই কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত, প্রশাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা অটুট রাখতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে অবিলম্বে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত প্রয়োজন। তাদের মতে, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে প্রশাসনের জবাবদিহিতা আরও সুসংহত হবে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লিটুস লরেন্স চিরানের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
এদিকে, সচেতন নাগরিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট মহল অভিযোগগুলোর দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটিত হলে প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।৷
এ ব্যাপারে ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন