মোঃ শাহিনুর রহমান শাহিন, মালয়েশিয়া থেকে;গরমে স্বস্তির আশায় কেউ চুমুক দিচ্ছেন শরবতে, কেউ খাচ্ছেন আইসক্রিম, কেউ আবার ফল বরফের মতো ঠান্ডা করে খাচ্ছেন। বরফের মতো জমাট বাঁধা ফল খেলে কি শরীর বাড়তি ঠান্ডা হবে, না কি কমতে পারে গরমে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে গরম।
কোথাও আর্দ্রতার বাড়াবাড়িতে হচ্ছে ঘাম, কোনও রাজ্যে বা দেশের কোনও কোনও প্রান্তে শুকনো গরমে ঝলসে যাচ্ছে হাত-পা। স্বস্তির আশায় শ্রমিকরা কেউ চুমুক দিচ্ছেন মাঙ্গা চুসা, অরেঞ্জ কসম, শরবতে, কেউ খাচ্ছেন আইসক্রিম, কেউ আবার বরফের মতো করে ফল ঠান্ডা করে খাচ্ছেন।এই গরমে কাটা ফল বরফের মতো শীতল হলে খেয়ে স্বস্তি নিঃসন্দেহে। তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি হলে বা বাড়তি ঘাম হলে, তা কি বাড়তি আর্দ্রতা জোগাবে ঠান্ডা রাখবে শরীরমো: নাসির আহমেদসহ আরো কয়েকজন শ্রমিকের সাথে কথা বলে জানা যায় মালয়েশিয়ায় তীব্র গরমে মাঙ্গা চুসা,মাঙ্গা কসম, স্প্রাইট, টাইগার, ওয়ান হান্ড্রেডসহ অন্যান্য ঠান্ডা ফল খাওয়ার দুই রকম উপকারিতা। প্রথম, ফলের শীতলতা গরমে আরামের। দ্বিতীয়ত, ফলের রসও পানির জোগানদাতা।
ফলে ঠান্ডা ফল খেলে শরীরও পানির জোগান পায়।পরিবেশের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে, শরীরকেও ঠান্ডা রাখার জন্য কসরত করতে হয়। ঘাম ঝরিয়ে শরীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের সাহায্য করে। এই কাজে সহায়ক হতে পারে ফল। ফলের রসে রয়েছে শর্করা, ভিটামিন এবং খনিজ। প্রবল ঘামে শরীর থেকে খনিজ লবণ বেরিয়ে গেলে, শরীর কাহিল হয়ে পড়ে, ক্লান্তি আসে। ফল, সেই ঘাটতি পূরণ করে পানির জোগান দেয়। শরীর ঠান্ডা রাখতেও সাহায্য করে। পানিশূন্যতা থেকে শরীর রক্ষা করে।