নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাতক্ষীরা জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (জনস্বাস্থ্য অফিস) অফিস সহায়ক ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ বিভিন্ন মহলে তার সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং তদন্তের দাবি আরও জোরালো হয়েছে।স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, ইমরান হোসেনের নামে ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে যেসব সম্পদের তথ্য উঠে এসেছে, সেগুলোর প্রকৃত উৎস যাচাই করার জন্য একটি নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, টেন্ডার প্রক্রিয়া এবং অফিসের অভ্যন্তরীণ কাজকে কেন্দ্র করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে আর্থিক সুবিধা আদায় করে আসছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ঠিকাদার জানান, “কাজ পেতে বা বিল পাস করাতে নির্দিষ্ট কিছু লোকের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে হতো। এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা ছাড়া অনেক কাজই এগোতো না।” যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য দিতে রাজি হননি সংশ্লিষ্টরা।এদিকে জনস্বাস্থ্য অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে অভ্যন্তরীণভাবে কিছু প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানা গেছে।সচেতন মহল বলছে, একজন নিম্নপদস্থ কর্মচারীর বিরুদ্ধে এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা শুধু একটি দপ্তরের ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ণ করবে না, বরং সরকারি সেবার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করবে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইমরান হোসেনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।সচেতন মহলের প্রশ্ন:
কীভাবে একজন অফিস সহায়ক এত অল্প সময়ে কোটি টাকার সম্পদের মালিক হলেন?
কারা তাকে এই কাজে সহযোগিতা করেছে?
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরদারি কোথায় ছিল?
দাবি উঠেছে:দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে সম্পদের উৎস অনুসন্ধান, দোষীদের চিহ্নিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।
📰 (চলবে…)