সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
‘দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত’ নামে একটি অনলাইন পেজ পরিচালনাকে কেন্দ্র করে মেহেদী নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একের পর এক প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠছে এখন এলাকায় আলোচনার ঝড় উঠেছেন পতিতার ছেলে যখন সাংবাদিক এটা নেয়ে সাধারণ মানুষের ভিতর খব প্রকাশ করেছেন । স্থানীয়দের প্রশ্ন—এই অপকর্ম থামাবে কে?
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কোনো বৈধ নিবন্ধন বা অনুমোদন ছাড়াই তিনি নিজেকে সম্পাদক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবি করে থাকেন। তার বিরুদ্ধে পূর্বেও শ্যামনগর এলাকায় অনুরূপ অভিযোগ ওঠে এবং তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করার ঘটনাও রয়েছে বলে জানা যায়। বর্তমানে তিনি ঢাকায় অবস্থান করে একই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।তাছাড়া এর মধ্যে মেহেদির জন্মদাতা মাতা এলাকায় একজন ইউপি সদস্যের সাথে সাথে অসামাজিক কাজে লিপ্ত অবস্থায় সাধারণ জনগণের হাতে ধরাও খেয়েছেন।
আরও অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন কৌশলে নিরীহ মানুষকে ফাঁদে ফেলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়। কিছু ভুক্তভোগীর দাবি, ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও কথোপকথন রেকর্ড করে তা ব্যবহার করে অর্থ আদায়ের চেষ্টাও করা হয়েছে।
এছাড়াও তার পারিবারিক সদস্যদের সম্পৃক্ততা নিয়েও নানা অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে মনিরুল নামে এক ব্যক্তি দাবি করেন, কিছুদিন আগে মেহেদীর জন্মদাতা মা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবস্থায় একটি ঘরে ধরা পড়েছিলেন এটা নতুন কিছু নাই এর আগে স্ত্রী ও এমনভাবে কয়েকবার ধরাও করেছেন যেটা নিয়ে সাধারণ জনগণের ভিতরে আলোচনায় আছেন । একই সঙ্গে তিনি আরও অভিযোগ করেন, স্বার্থ হাসিলের জন্য পরিবারের সদস্যদের ব্যবহার করে অনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করা হয়ে থাকে।
আরও কয়েকজন স্থানীয় সূত্রের দাবি, অভিযুক্তের পরিবারের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এবং এ সংক্রান্ত কিছু তথ্য-প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেছেন। একই ধরনের অভিযোগ তার স্ত্রীর বিরুদ্ধেও উত্থাপিত হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, তার বিরুদ্ধে অতীতে ছাগল ও মুরগি চুরিসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের কথাও প্রচলিত রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযুক্তের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, ভুয়া পরিচয়ে সংবাদমাধ্যমের নাম ব্যবহার করে এমন কার্যক্রম পরিচালনা করা শুধু আইনবিরুদ্ধ নয়, বরং সমাজের জন্যও ক্ষতিকর। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।ি