* সাংবাদিকতার নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন ক্লিনিকে চাঁদা দাবি।
* ইংরেজী পত্রিকার সাংবাদিক দাবি।
* অবৈধ মৎস্য পুশকারীদের থেকে মাসিক মাসহরা।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সাংবাদিক নামধারী সেলিম শাহরিয়ার চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ক্লিনিকে গিয়ে চাঁদাদাবি করছে। চাঁদার টাকা না পেলে বিভিন্ন ক্লিনিকের নামে মিথ্যা মনগড়া সংবাদ পরিবেশনের অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিক নামধারী সেলিম শাহরিয়ারকে পৃষ্ঠপোষকতা করে কালিগঞ্জে কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি।
সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, কথিত সাংবাদিক সেলিম শাহরিয়ার টাকার বিনিময়ে একটি ইংরেজী পত্রিকার প্রতিনিধি হয়েছে। সংবাদ লিখতে না পারলেও বিভিন্ন প্রতিষ্টানে গিয়ে ইংরেজী পত্রিকার সাংবাদিক দাবি করেন। সে কালিগঞ্জের নলতায় একাধিক লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকে হুমকি দিয়ে মাসিক টাকা নেন। ঈদের সময় অনান্য সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার নামে মোটা অংকের ঈদ সালমি নিয়েছেন। তার ভয়ে অনেক ক্লিনিকের পরিচালক আতঙ্কে দিনপার করছে।
তাছাড়া কালিগঞ্জের নলতা,তারালী, মৌতলা, চাম্পাফুলের উজিরপুরে বাগদা চিংড়ীতে মৎস্যপুষ কারীদের ভয় দেখিয়ে প্রতি মাসে গিয়ে টাকা নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে নলতার আর ২ জন সাংবাদিক রয়েছে। মৎস্য পুষকারীরা টাকা না দিলে উপজেলা মৎস্য অফিসারকে চাপ দিয়ে অভিযান করানোর অভিযোগ রয়েছে। নামসর্বস্ব প্রত্রিকার কথিত সাংবাদিক সেলিম শাহরিয়ারর বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে এখন ক্লিনিক ও মৎস্যব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দিনপার করছে।
কালিগঞ্জে নলতার এক ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক বলেন, সেলিম শাহরিয়ার হঠাৎ করে একটি পত্রিকার সাংবাদিক সেজেছে। তার সাথে নলতার ২ থেকে ৩ জন মিলে সিন্ডিকেট তৈরি করে বিভিন্ন ক্লিনিকে চাঁদাবাজি করে। টাকা না দিলে ক্লিনিকের নামে মিথ্যা তথ্য উস্থাপন করে সংবাদ প্রকাশ করে। সংবাদ প্রকাশ করে ক্ষান্ত নই সেই সংবাদের পরে ভূইফোড় সাংবাদিক ক্লিনিকে পাঠিয়ে টাকা দাবি করে পজিটিভ সংবাদের জন্য। তার চাঁদাবাজিতে নলতার ক্লিনিক ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ। আমরা কথিত সাংবাদিক সেলিম শাহরিয়ারর বিচার দাবি করছি।
কালিগঞ্জের চাম্পাফুল ইউনিয়নের উজিরপুরে মৎস্য ব্যবসায়ী নুনু আব্বাস বলেন, নলতার সাংবাদিক সেলিম শাহরিয়ার ২-৩ জন সাংবাদিক নামধারীকে নিয়ে প্রতিগোনে উজিরপুর বাজারে আসে। চিংড়ী চাষীদের থেকে টাকা দাবি করে। শুরুতে মৎস্য ব্যবসায়ীরা টাকা নাদিলে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে। পরবর্তীতে আবার এসে টাকা নিয়ে গেছে। তার জ্বালায় মৎস্য ব্যবসা করে স্বস্তি নেই। আমরা এই অপ সাংবাদিক সেলিম শাহরিয়ারের শাস্তি দাবি করি।
তেতুলিয়ার আরেক মৎস্য ব্যবসায়ী খোকন গণমাধ্যমকে বলেন, সেলিম শাহরিয়ার নামের এক সাংবাদিক প্রায় গোন মুখে আসে টাকা দাবি করে। তার বিরুদ্ধে কি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় আমরা তো জ্বালায় আছি। দেখেন ভাই কিছু করা যায় কি না।
সাতক্ষীরার সামাজিক আন্দোলনের নেতা আনিসুর রহমান বলেন, গ্রামে সহজ সরল মানুষকে জিম্মি করে সাংবাদিক নামধারী সেলিম শাহরিয়ারদের জন্য মানুষ গণমাধ্যমকে ভয় পায়। ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে একটি নাম সর্বস্ব পত্রিকার কার্ড ম্যানেজ করে
সাধারণ মানুষের কাছে ভয় দেখিয়ে টাকা নিয়ে থাকে। এরা গণমাধ্যমকে কলঙ্কিত করে চলেছে।এদের পৃষ্ঠাপোষকতা করে গুটি কয়েক সাংবাদিক। সেলিম শাহরিয়ার মত চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।
অভিযুক্ত কথিত সাংবাদিক সেলিম শাহরিয়ারর বলেন,
আমি চাঁদাবাজি করি না এটা মিথ্যা।কিছু মানুষ আামকে ভালবেসে টাকা দিলে সেটাকি চাঁদাবাজি। আমার বিরুদ্ধে নিউজ করে কিছু করতে পারবেন না। আপনি যা খুশি করেন।