1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট নিজের নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকের নামে মামলা? মীর শাহীনকে ঘিরে পুরোনো মামলার নথি, ব্যবসা ও পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্ন তালা কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক হাফিজুর রহমান সরকারি ওষুধ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ শতভাগ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

কোটি টাকার বাড়ি ও অস্বাভাবিক সম্পদ ঢাকা জেলার সাবেক ও বর্তমান ইউপি সচিবদের আয়–ব্যয়ের উৎস ঘিরে জনমনে প্রশ্ন

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৩০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
ঢাকা জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত ও সাবেক একাধিক ইউপি সচিবের নামে কোটি টাকার বাড়ি, ফ্ল্যাট, জমিজমা ও বিলাসবহুল যানবাহনের তথ্য ঘিরে জনমনে তীব্র কৌতূহল ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সীমিত বেতন–ভাতা ও সরকারি সুযোগ-সুবিধার বাইরে এসব সম্পদের প্রকৃত আয়ের উৎস কী—তা নিয়েই স্থানীয় পর্যায়ে বিস্তর আলোচনা চলছে।
জীবনযাত্রা বনাম ঘোষিত আয়
স্থানীয় সূত্র ও সাধারণ নাগরিকদের অভিযোগ, কিছু ইউপি সচিবের দৃশ্যমান জীবনযাত্রা তাঁদের ঘোষিত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বহুতল ভবন, দামি ফ্ল্যাট, জমিজমা এবং নিয়মিত দামী যানবাহন ব্যবহারের কথাও আলোচনায় এসেছে। এসব সম্পদ কীভাবে অর্জিত—সে প্রশ্নের উত্তর জনসমক্ষে পরিষ্কার নয় বলে দাবি করা হচ্ছে।
ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রশাসনিক অনিয়ম
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতে, উন্নয়ন প্রকল্পের সুপারিশ, ফাইল নিষ্পত্তি, লাইসেন্স–অনুমোদন, নাগরিক সেবা প্রদানসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনা জরুরি। নিয়মিত সম্পদ বিবরণী হালনাগাদ ও প্রকাশ প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ উপায় বলেও মত তাঁদের।
নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আলোচিত অভিযোগ
স্থানীয়ভাবে আলোচিত অভিযোগে ধামরাই যাদবপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সচিব শরিফুজ্জামান, ধামরাইল চৌহাট ইউনিয়নের সাবেক সচিব নাহিদ এবং তেঁতুলঝাড়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সচিব আব্দুল বারেক—এর নাম উঠে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, প্রভাব খাটিয়ে মানুষকে হয়রানি এবং নারী হয়রানি/কলঙ্কের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তবে উল্লেখ্য, এসব অভিযোগের আইনি সত্যতা এখনো প্রমাণিত নয়।
সন্তানদের বিষয়ে আর্থিক সহায়তার অভিযোগ
এ ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে আরও একটি অভিযোগ আলোচিত হচ্ছে—কিছু ব্যক্তির সন্তানের শিক্ষা বা অন্যান্য খাতে আর্থিক ব্যয়ের উৎস নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি অনুযায়ী, ধামরাইল চৌহাট ইউনিয়নের সাবেক সচিব নাহিদ ও তেঁতুলঝাড়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সচিব আব্দুল বারেকের সন্তানের ব্যয়ভার বা আর্থিক সহায়তা সংক্রান্ত বিষয়ে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রেও কোনো প্রাতিষ্ঠানিক নথি বা আদালত-স্বীকৃত প্রমাণ এখনো প্রকাশ পায়নি।
মাদক সেবনের অভিযোগ: নতুন করে উদ্বেগ
স্থানীয় বাসিন্দা ও একাধিক সূত্রের অভিযোগ, সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কেউ কেউ নিয়মিত মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন; মাদক না পেলে তাঁদের আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা যায় বলেও দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে, এ ধরনের আচরণ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বে প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও এসব দাবির পক্ষে এখনো কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রমাণ প্রকাশ পায়নি, তবু বিষয়টি তদন্তের দাবি জোরালো হচ্ছে।
তদন্তের প্রয়োজনীয়তা ও প্রস্তাবিত পদক্ষেপ
দুর্নীতি বিরোধী বিশ্লেষকদের মতে, অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরূপণে—
সম্পদ বিবরণী ও ব্যাংক লেনদেন যাচাই
আয়কর নথি পরীক্ষা
প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্বার্থের সংঘাত আছে কি না পর্যালোচনা আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় আচরণগত মূল্যায়ন (প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট)
ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের বক্তব্য গ্রহণ
—এসব ধাপে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
বক্তব্য পাওয়ার চেষ্টা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে নীতিগতভাবে তাঁদের বক্তব্য প্রকাশের সুযোগ রাখা হচ্ছে।
উপসংহার সচেতন মহলের অভিমত, জনস্বার্থে সত্য উদ্ঘাটন ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণই আস্থার সংকট কাটানোর একমাত্র পথ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনের কঠোর প্রয়োগ, আর প্রমাণিত না হলে অভিযুক্তদের সুনাম রক্ষায় স্বচ্ছ তদন্ত—উভয় ক্ষেত্রেই রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ অপরিহার্য।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park