1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট নিজের নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকের নামে মামলা? মীর শাহীনকে ঘিরে পুরোনো মামলার নথি, ব্যবসা ও পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্ন তালা কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক হাফিজুর রহমান সরকারি ওষুধ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ শতভাগ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

আশাশুনি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নকল নবীশ নির্মল সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৩৬ বার পঠিত

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার আশাশুনি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে সীমাহীন অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। এসব অনিয়মের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন অফিসের নকল নবীশ নির্মল সরকার। তার প্রভাব ও কর্মকাণ্ডে অফিসটি কার্যত দালালচক্রের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নকল নবীশ নির্মল সরকার দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। দলিল লেখক, দালাল ও অসাধু কর্মচারীদের নিয়ে গঠিত এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সাধারণ সেবা প্রত্যাশীদের কাছ থেকে অবৈধ অর্থ আদায় করা হচ্ছে। ঘুষ ছাড়া কোনো ধরনের দলিল রেজিস্ট্রি কার্যক্রম সম্পন্ন হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, সরকারি নির্ধারিত ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ না দিলে নানা অজুহাতে দলিল আটকে রাখা হয়। সাফ কবলা দলিল, দানপত্র, হেবাবিল, এওয়াজ বদল, বণ্টননামা, না-দাবি দলিলসহ সব ধরনের দলিল রেজিস্ট্রিতে নির্দিষ্ট হারে ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়। দলিলের মূল্য ও জটিলতার ওপর ভিত্তি করে এই ঘুষের পরিমাণ কয়েক হাজার টাকা থেকে শুরু করে লক্ষাধিক টাকায় গিয়ে দাঁড়ায়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, জমির কোনো সামান্য সমস্যা দেখিয়ে বা দাতা-গ্রহীতাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জমি রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে নানা কৌশলে বড় অঙ্কের ঘুষ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এবং সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে।
সরকারি রাজস্ব ফাঁকির ক্ষেত্রেও নকল নবীশ নির্মল সরকারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ বলে অভিযোগ রয়েছে। জমি প্লট আকারে ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রাজস্ব প্রদানের বিধান থাকলেও তা এড়িয়ে যেতে দাতা ও গ্রহীতাদের প্রভাবিত করা হয়। ফলে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হলেও রাষ্ট্র বিপুল রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জমি ব্যবসায়ী জানান, অতিরিক্ত রাজস্ব ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দিতে চাইলেও তা বাতিল করে নগদ অর্থ গ্রহণ করা হয়। এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
এদিকে, এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে আশাশুনি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। সরকারি একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে এমন কর্মকাণ্ডে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও মনে করছেন সচেতন মহল।
নকল নবীশ নির্মল সরকারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব গুরুতর অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আশাশুনিবাসী।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park