সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা জেলার খর্নিয়া–চুকনগর মহাসড়কে দায়িত্বরত হাইওয়ে থানার ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে নিয়মিত মাসিক চাঁদাবাজির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, সড়কে নির্বিঘ্নে যান চলাচলের সুযোগ দেওয়ার নামে বিভিন্ন পরিবহন ও পণ্যবাহী যানবাহনের কাছ থেকে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা আদায় করা হচ্ছে।স্থানীয় চালক ও পরিবহন শ্রমিকদের অভিযোগ, চুকনগর কর্নিয়া এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ট্রাফিক পুলিশের কিছু সদস্য মাসিক চুক্তির মাধ্যমে যানবাহন থেকে টাকা গ্রহণ করছেন। যারা এই চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানায়, তাদের নানাভাবে হয়রানি করা হয়—কখনো অযথা কাগজপত্রের অজুহাতে গাড়ি আটক, কখনো জরিমানার ভয় দেখানো হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।একাধিক ট্রাক ও বাসচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “প্রতিমাসে নির্দিষ্ট টাকা না দিলে রাস্তায় চলতে সমস্যা হয়। আমরা চাই শান্তিতে কাজ করতে, কিন্তু বাধ্য হয়েই টাকা দিতে হচ্ছে।”স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের অভিযোগ সত্য হলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করছে এবং সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট হচ্ছে। তারা বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে চুকনগর হাইওয়ে থানার ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ট্রাফিক পুলিশ কোনো ধরনের চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নয়। কেউ প্রমাণসহ অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এদিকে এলাকাবাসী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।