গত ২৭ ডিসেম্বর সুন্দরপুর ইউনিয়নে আইনজীবীকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানো নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।
সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জজ আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হামিদুর রহমানকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে তাকে জনৈক গৃহবধূর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় আটকের যে দাবি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত,ভিত্তিহীন এবং তার সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা মাত্র।
পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র: স্থানীয় একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। যেটি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যবহার করা হয়েছে এডভোকেট হামিদুর রহমান,যা প্রকৃতপক্ষে জেলা আইনজীবী সমিতির এ নামে কোন আইনজীবী নেই। তবে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ও ফেসবুকে হামিদূল হক নামে এডভোকেটের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।কোনো প্রমাণ ছাড়াই একজন সম্মানিত আইনজীবীকে মিথ্যা গুজব ছড়ানো দেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থী। এডভোকেট সমাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলা কুচক্র মহলের এটি বড় একটি ইন্ধন।
ভুল তথ্য উপস্থাপন: সংবাদে দাবি করা হয়েছে যে তিনি ‘ভুল স্বীকার’ করেছেন, যা সম্পূর্ণ অসত্য। আরও সংবাদে প্রকাশ করা হয় যে তিনি সেনাবাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে আটক করা হয়। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। অ্যাডভোকেট হামিদুর হক চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতির একজন সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং অত্যন্ত সুপরিচিত ব্যক্তি। দীর্ঘদিনের অর্জিত সম্মান ধূলিসাৎ করার জন্য এই সাজানো নাটক তাকে ঘিরে সাজানো হয়েছে। আমরা এই ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একইসাথে সাংবাদিক ভাইদের প্রকৃত সত্য যাচাই না করে এ ধরনের মানহানিকর সংবাদ প্রচার না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। অন্যথায়, যারা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ দেশের প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিবাদ:
অ্যাডভোকেট হামিদুর হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতি