সম্প্রতি ‘দৈনিক আলোর সন্ধান’ দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত সহ কয়েকটি অনলাইন পত্রিকার নামক ফেসবুক পেজ ও পোর্টালে সাতক্ষীরা (এএসআই গোপাল চন্দ্র) কে জড়িয়ে যে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর। উক্ত সংবাদে ভিত্তিন বলে দাবি করছেন সাতক্ষীরা জেলাবাসী ব্যক্তিগত , পেশাগত সততা এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে যে ধরনের তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে, তার সাথে বাস্তবতার কোনো নূন্যতম মিল নেই বলেই দাবি করেন সাতক্ষীরা জেলা বাসি।উক্ত সংবাদের প্রতিবাদে সাতক্ষীরা এলাকাবাসীর বক্তব্য নিচে তুলে ধরা হলো: ১. পেশাগত সততা: পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত থেকে এএসআই গোপাল চন্দ্র সর্বদা আইন ও শৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাকে ‘ছাত্রলীগের ক্যাডার’ বা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে যে দাবি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ কাল্পনিক। একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে গোপাল চন্দ্র কোনো রাজনৈতিক দলের পদ-পদবি ধারণ করি নাই এবং এটি সরাসরি চাকরির বিধিমালার পরিপন্থী, যা কখনো করিনি।২. দুর্নীতির অভিযোগ: এএসআই গোপাল এর নামে খুলনা, সাতক্ষীরা ও গোপালগঞ্জে ‘সম্পদের পাহাড়’ গড়ার যে দাবি করা হয়েছে, তা ডাহা মিথ্যা কিছু সুচিত্র মহল এএসআই গোপালের সুনাম নষ্ট করার জন্য এসব গুলো করছেন। এবং এএসআই গোপাল পরিবারের সকল সম্পদ বৈধ আয়ের উৎস থেকে প্রাপ্ত এবং তার যথাযথ হিসাব আয়কর নথিতে সংরক্ষিত। কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে এই আষাঢ়ে গল্প সাজানো হয়েছে।
৩. নির্যাতন ও ‘আটক বাণিজ্য’: সাতক্ষীরা ডিবিতে কর্মরত থাকাকালীন কঠোরভাবে অপরাধ দমনে কাজ করেছেন। অপরাধী বা স্বার্থান্বেষী কোনো গোষ্ঠী ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিহিংসাবশত এই ধরনের ‘আটক বাণিজ্য’ বা ‘অমানবিক নির্যাতনের’ মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।৪. ব্যক্তিগত জীবন: এএসআই গোপাল পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যে কুরুচিপূর্ণ ও মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছে, সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার একটি অপচেষ্টা মাত্র। ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে সংবাদে এসব বিষয় টেনে আনা হয়েছে।উপসংহার: আমরা সাতক্ষীরা বাসী উক্ত মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি । সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যমকে অতিসত্বর এই কুরুচিপূর্ণ সংবাদটি প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায়, এএসআই গোপালের সম্মানহানি ও পেশাগত ক্ষতি করার অপরাধে আমরা সাতক্ষীরা বাসী এই একুচিত্র মহলদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বাধ্য হবে