শিমুল হোসেন,কালিগঞ্জ সাতক্ষীরা ব্যুরো চীফ;সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর মৌজায় জমি দখল ও জাল ওয়ারিশ কায়েম সনদের মাধ্যমে নামজারি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সীতা রানী ঘোষ প্রজাস্বত্ব আইনের ১৫০ ধারা মতে তিনটি নামজারি কেস বাতিলের আবেদন করেছেন কালিগঞ্জ সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত বিমল চন্দ্র ঘোষের স্ত্রী সীতা রানী ঘোষের স্বামী জীবদ্দশায় নিজ নামে ও পুত্রদের নামে জমিজমা ক্রয় করেন। স্বামীর মৃত্যুর পর বড় ছেলে দেবদাস ঘোষ জমিজমার কাগজপত্র দেখাশোনা করতেন। হঠাৎ তাঁর মৃত্যু হলে, স্ত্রী শ্যামলী রানী ঘোষ প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে জমির সব কাগজপত্র নিজের দখলে নেন এবং জাল ওয়ারিশ সনদপত্র তৈরি করে নিজের নামে রেকর্ড করেন। শুধু তাই নয়, তিনি উক্ত জমির কিছু অংশ অন্যত্র হস্তান্তরও করেছেন।বাদীর অভিযোগ,শ্যামলী রানী ঘোষ ছাড়াও কৃষ্ণনগর গ্রামের রওশন আলী কাগুচী,হাফিজুর ইসলাম ও সিদ্দিকুল ইসলাম একত্র হয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নামজারির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। এ প্রেক্ষিতে বাদী কালিগঞ্জ ভূমি অফিসের ২৩৯২/২০২৪-২৫, ১১৯৬৬/ ২০২৪-২৫ ও ১০৫৪৯ /২০২৪-২৫ নং নামজারি কেস বাতিলের আবেদন করেছেন। সীতা রানী ঘোষ বলেন, “আমার পুত্রবধূ শ্যামলী রানী ঘোষসহ কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে আমার স্বামীর সম্পত্তি দখল করতে চাইছে। আমি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।”এ বিষয়ে কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভিন বলেন, “জমি দখল ও জাল ওয়ারিশ সনদের মাধ্যমে নামজারির অভিযোগটি সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শ্যামলী রানী ঘোষ, রওশন আলী কাগুচী, হাফিজুর ইসলাম ও সিদ্দিকুল ইসলামকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। গ্রামবাসীর শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে আমি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”