সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার জেলার তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব আব্দুল জলিল বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়দের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরা জেলা তালা উপজেলার ইসলামকাটি ভূমি অফিসে যোগদান করার পরেই ভূমি দখল, ঘুষ বানিজ্য, এবং জাল দলিল তৈরির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি সরকারি খাস জমি দখল, জমির নাম খারিজ করার বিনিময়ে অর্থ গ্রহণ করেছেন, যা এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, নায়েব আব্দুল জলিল সাতক্ষীরা জেলার একাধিক ভূমি অফিসে দায়িত্ব পালন করছেন এবং এসব ক্ষেত্রে তিনি নানাবিধ অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন অবৈধ টাকা দিয়ে করেছেন পাহাড় পরিমাণ সম্পদ। তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ উঠেছে তালা উপজেলার খলিষখালি ভূমি অফিস শ্যামনগর খেরশা ভূমি অফিসে কর্মরত থাকা অবস্থায়, যেখানে তিনি ভূমি সংক্রান্ত নানা দুর্নীতির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এই নায়েব আব্দুল জলিল তার বর্তমান কর্মস্থল তার নিজেরই উপজেলা সাতক্ষীরার জেলা তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নের যেখানে যোগদানের পরেই ঘুষ বানিজ্য বেপরোয়া হয়ে ওঠেন এই কর্মকর্তা। যেসব মানুষ এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে নানা হুমকি ও অপমানজনক আচরণের শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসি অভিযোগের মধ্যে একটি বড় দাবি রয়েছে যে, নায়েব আব্দুল জলিল তার পরিবারের সদস্যের নামে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি কিনেছেন এই সাতক্ষীরা জেলা তালা উপজেলার ইসলামকাটি ভূমি নায়েব আব্দুল জলিল স্থানীয়দের প্রশ্ন, তার বিপুল সম্পত্তির উৎস কীভাবে তৈরি হয়েছে, যখন তার বেসিক বেতন এবং সরকারি অফিসের দায়িত্ব অনুসারে এটি সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এমন পরিস্থিতিতে, জনগণ এই বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছে এবং অবিলম্বে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন।সূত্র মতে, তার অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। অভিযোগকারীদের মতে, যদি একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ তদন্ত না হয়, তবে জনস্বার্থে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে না।এছাড়া, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের কাছে নাগরিকদের দাবি, দুর্নীতিবাজ নায়েব আব্দুল জলিল বিরুদ্ধে সকল অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক তারা মনে করেন, এর মাধ্যমে সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠিন অবস্থান নেওয়া এবং স্থানীয় জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।এমন পরিস্থিতিতে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জনগণের দাবি আরো জোরালো হচ্ছে, যাতে সকল প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায় এবং জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়। এ ব্যাপারে নায়েব আব্দুল জলিল কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করে বলেন হ্যাঁ করেছি তাই কি করবেন করেন আপনারা