স্টাফ রিপোর্টার:যশোরে আওয়ামী ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার চক্রের দৌরাত্ম্য এখনো অব্যাহত রয়েছে। সরকার পরিবর্তনের পরও এই চক্র সরকারি দপ্তরে অবাধ যাতায়াত বজায় রেখেছে এবং বিভিন্ন প্রকল্প বাগিয়ে নিচ্ছে—এমন অভিযোগ সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপকভাবে আলোচিত।জানা গেছে, জুলাইয়ের রাজনৈতিক পালাবদলের পর আওয়ামী লীগের অনেক শীর্ষ নেতাকর্মী এলাকা ছেড়ে গেছেন। তবে তাদের অর্থের যোগানদাতা হিসেবে পরিচিত ঠিকাদার চক্রটি যশোরেই থেকে গেছে এবং আগের মতোই দপ্তর-প্রকল্প-বরাদ্দ বাণিজ্যে সক্রিয় রয়েছে।জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোঃ সজীব হোসেন বলেন, “সরকার পরিবর্তনের পর জনগণ স্বস্তি আশা করেছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, জেলা প্রশাসনের ছায়ায় আওয়ামী ঠিকাদার চক্র এখনো স্বাভাবিকভাবেই কাজ করে যাচ্ছে। বরাদ্দ নেওয়া, দরপত্র দখল, অফিসে প্রভাব বিস্তার—সবই আগের মতো চলছে। প্রশাসন কেন চুপ? এই প্রশ্ন আজ যশোরের জনগণের।”তিনি আরও বলেন, “সরকারি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে জনগণের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দুর্নীতিবাজদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া হলে আন্দোলনের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে।”যশোরের সচেতন নাগরিক মহল মনে করছে, প্রশাসনের কিছু অংশে এখনো এমন প্রভাবশালী চক্র সক্রিয়, যারা রাজনৈতিকভাবে চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে আইনত শাসনের কাঠামো দুর্বল হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।