1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট নিজের নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকের নামে মামলা? মীর শাহীনকে ঘিরে পুরোনো মামলার নথি, ব্যবসা ও পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্ন তালা কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক হাফিজুর রহমান সরকারি ওষুধ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ শতভাগ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

সাতক্ষীরা শ্যামনগর টাকার বিনিময়ে মিথ্যা সাক্ষী হযরতের পেশা,মামলার কারিগর পতিতা শাহানারা-দৈনিক সোনার বাংলাদেশ

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৪ জুন, ২০২৫
  • ২২৫ বার পঠিত

সাতক্ষীরা অফিসঃসাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের পশ্চিম কৈখালী গ্রামের নুর ইসলাম মোড়লের ছেলে হযরত মোড়ল দিনের পর দিন বিভিন্ন মানুষের ষড়যন্ত্রমূলক একাধিক ধর্ষণ মামলার সাক্ষী হয়ে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে আসছে।
তবে হযরত মোড়লের এই মিথ্যা সাক্ষী যেন দিনেরপর দিন বেড়েই চলেছে আর তার এই মিথ্যা কুকর্মের মূল বৃক্ষ হিসেবে ছায়া দিয়ে আসছেন কৈখালীর চেয়ারম্যান প্রার্থী স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোষর দেহ ব্যবসায়ী বহু ধর্ষণ সহ নানা ধরনের মিথ্যা মামলার কারিগর পশ্চিম কৈখালী গ্রামের জয়নাল সরদারের মেয়ে শাহানারা খাতুন।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা আর চাঁদাবাজির কবলে যাদের ব্যবহার করতে অক্ষম তাদের প্রতি উৎসাহী হয়ে বিভিন্ন জেলা উপজেলার নষ্ট চরিত্রের দেহ ব্যবসায়ী মহিলাদের মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দিয়ে আসছে এই ধর্ষণ খ্যাত শাহানারা ও হযরত মোড়ল।উল্লেখ্য শাহানারা একাধিক মিথ্যা মামলার নিজেই বাদী এছাড়া তিনি পতিতাবৃত্তি করা কালীন পলাশপুল পার্সপোর্ট অফিসের উত্তর পাশে দুই নম্বর গলির ভিতরে জনৈক পাভেল রহমানের বিল্ডিং এর নিচ তলায় দেহব্যবসা চলাকালীন সাতক্ষীরা সদরথানার তৎকালীন এসআই হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে আটক হয় এবং পতিতাবৃত্তের দায়ে জেল হাজতে প্রেরণ করে,যাহার মামলার জি-আর নম্বর ৫৯৩/২০ তাং ১৫ আগস্ট ২০২০ সালে।শাহানারা আওয়ামীলীগের আমল থেকেই বহু সম্মানী ব্যক্তি ও বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য নানারকম পরিকল্পনা করে নারীপাচার হত্যা মামলা সহ ধর্ষণের মত জগন্য মামলা দিয়ে মোটা অংকের টাকা লুটে নেন।এমনকি শাহানারা তার আপন মামা নজরুল তরফদার কেও মিথ্যা পাচার মামলা দিয়ে মোটা অংকের অর্থ লুটে নেন।শাহানারার জন্মস্থান কৈখালীর অনেক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক প্রতিবেশী প্রতিবেদককে জানান,হযরত ও শাহানারা বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় সাধারণ দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষদের নানাভাবে হেয়প্রতিপন্ন করে ব্যর্থ হলে আদলতে ধর্ষণমামলা দায়ের করে আর মিথ্যা সাক্ষী হিসেবে সহযোগিতা করেন হযরত।সর্বশেষ যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার দেহব্যবসায়ী মিতু নামে এক মহিলাকে দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আদলতে মামলা দায়ের করেন যাহার মামলা নম্বর ৬৪৪/২৪ আর এই মামলায় ও হযরত থাকেন ২ নং সাক্ষী,তবে মজার বিষয় হলো মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে মোটা অংকের টাকা নিয়ে শাহানারা ও হযরতের মাঝে ভাগাভাগি নিয়ে হয় বাকবিতন্ডা আর তারই প্রেক্ষিতে শাহানারা বাদী হয়ে হযরতের নামে ধর্ষণ মামলা ও করেন,দীর্ঘদিন পরে একপর্যায়ে আপোষ করে আবার ও তারা একসাথে মিলে আবার ও রমরমা মিথ্যা মামলা নিয়ে ব্যবসা করতে নেমে পড়েন। রহস্যজনক হলে ও সত্যি শাহানারা ও হযরতের কুকর্ম নিয়ে কেউ মুখ খুললেই সে মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে যায়,যাহার কারণে কেউ সমাজে মুখ খুলতে ভয় পাই,এ যেন দেখার কেউ নেই, স্থানীয় থানা পুলিশ শাহানারার যেন পূর্ব পরিচিতি তার কাছে থানা পুলিশ মামা-খালু।সাতক্ষীরা শ্যামনগরে সাধারণত হয়রানি করার জন্য মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয় বেশিই। সবার পক্ষে উচ্চ আদালতে যাওয়া সম্ভব হয় না। নানা প্রতিকূলতার কারণে দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় পাল্টা মামলা করাও সম্ভব হয় না। এ অবস্থায় কেবল সংশ্লিষ্ট আদালতই পারেন স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। আদালতগুলো যদি সতর্কতার সঙ্গে নিয়মিতভাবে এ কাজটি করতেন, তাহলে একদিকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণ পেতেন, আরেক দিকে মামলাজটও কমত পাশাপাশি প্রশাসনের ভূমিকা ও জুরুরি।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park