নিজস্ব প্রতিবেদক:: সাতক্ষীরা জেলা পাটকেলঘাটা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার জনাব জিয়াউর রহমান বিরুদ্ধে ঘুষ দূর্নীতি করে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। অবৈধ সম্পদের খবর এখন পল্লী বিদ্যুতের ভিতরে ও বাইরে সকলের মুখে মুখে। তার দূর্নীতির বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে মেলে জ্ঞাত আয়বহির্বূত সম্পদের তথ্য। দূর্নীতি করে রীতিমত টাকার কুমির বনে গেছেন এই কর্মকর্তা।
সূত্রের দাবি সদ্য পদত্যাগ করা শেখ হাসিনা সরকারের দুর্নীতিবাজ নেতাদের সাথে ছিল এই জিএম এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বদলি হলেও সেটাও টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে নিয়েছিলেন এই কর্মকর্তা তাছাড়া তাদের ঘুষ দিয়ে পদোন্নতি নেন। সে সকল ক্ষমতাধর সাবেক এমপিদের ও কিছু দুর্নীতিবাজদের আশির্বাদপুষ্ট হয়ে তিনি দূর্নীতি, অনিয়ম আর স্বেচ্ছাচারীতা করে হয় উঠেন টাকার কুমিড়। নিজে কট্টর পন্থী আওয়ামীলীগ হবার কারণে অন্য দল বা মতের কাউকে সহ্য করতেন না তিনি। অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তার ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠলেও উপর মহলে হাত থাকার কারণে কার্যত তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি কেউ। পল্লী বিদ্যুতের এই কর্মকর্তা অবৈধভাবে অঢেল সম্পদের মালিক বণে যান। তার নিজ নামে,স্ত্রী পূত্রদের নামে ছাড়াও নামে বেনামে সম্পদ গড়ে তোলেন তিনি। সূত্রের দাবি তিনি পঞ্চাশের থেকে ৭০ হাজার টাকা বেতন পান। কিন্তু তার সম্পদের হিসেব দেখলে যে কারোর চক্ষু চড়কগাছ হবার উপক্রম। তিনি তার নিজের এলাকায় সহ ব্যয় করে কিনেছেন জায়গাসহ বাড়ি। বিভিন্ন ব্যাংকে স্ত্রী ও সন্তান সহ নামে রয়েছে কোটি কোটি টাকা। বিষয়টি রীতিমত অবাক করা বলে জানিয়েছেন তারই প্রতিষ্ঠানের একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীরা। শুধু তাই নয় নামে বেনামে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা পাটকেলঘাটা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এর সিনিয়রজেনারেল ম্যানেজার জনাব জিয়াউর রহমান সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি স্থানীয় সচেতন মহলের।
জনাব জিয়াউর রহমান আরো তথ্যের অনুসন্ধান চলছে,বিস্তারিত পড়ুন অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের দ্বিতীয় পর্বে….