1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট নিজের নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকের নামে মামলা? মীর শাহীনকে ঘিরে পুরোনো মামলার নথি, ব্যবসা ও পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্ন তালা কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক হাফিজুর রহমান সরকারি ওষুধ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ শতভাগ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

তালা উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ঘোষ সনৎ কুমার ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু কাছে তালা উপজেলা বাঁশি জিম্মি-দৈনিক সোনার বাংলাদেশ

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৭ মে, ২০২৪
  • ২৫৪ বার পঠিত

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরা জেলা তালা উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ঘোষ সনৎ কুমার ও তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রনব ঘোষ বাবলু কাছে তালা উপজেলা অনেকে জিম্মি ভুলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছেন।

এ ব্যাপারে তালা উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা জানান। তালা উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ঘোষ সনৎ কুমার ও তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু নাকি সম্পর্কে মামা আর ভাগ্নে তাও আবার দূর্সম্পর্কের। তালা উপজেলাকে তারা রাজনীতির নামে বাপের পয়ত্রিক সম্পত্তি বানিয়ে নিয়েছে।
নব্য আওয়ামীলীগ সুদূর ওয়ার্কাস পার্টি থেকে বহিঃস্কৃত প্রণব ঘোষ বাবলু তালা উপজেলা আওয়ামীলীগকে তছনছ করে বিবেধ সৃষ্টি করে দিয়েছে। এই নব্য আওয়ামীলীগার প্রণব ঘোষ বাবলু তার নামে দূর্ণীতি সহ বিভিন্নভাবে মানুষকেল মামলায় জড়িয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার রেকর্ড আছে। যার কারণে সে গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আজিজুল ইসলাম রাজুর কাছে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন। তার রয়েছে নিজস্ব সন্ত্রাস বাহিনী, দালাল বাহিনী, লাঠিয়াল বাহিনী। এই নব্য হাইব্রীড নেতা সমস্ত অপকর্মের হোতা, এই প্রণব ঘোষ স্বার্থের জন্য সবকিছুই করতে পারেন। চাকুরী দেওয়ার নামে মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা অথচ আজ পর্যন্ত শুনি নাই তিনি কাউকে চাকুরী দিতে পেরেছে। রাজনীতিতে তিনি পাকা খেলোয়াড়, তিনি মনে প্রাণে ওয়ার্কাস পার্টির ভক্ত। বিগত দুটি নির্বাচনে জোটগত ভাবে এমপি ছিলেন মুস্তফা লুৎফুল্লাহ মহোদয়, তাকে ভাঙ্গিয়ে তার কাছ থেকে বরাদ্দ এনে কাজের নামে কিছুই না করে মামা ভাগ্নে ভাগ বন্টন করে নিজেদের পকেটে ঢুকিয়ে নিতো। এটা ছিলো তাদের প্রধান কৌশল, একই বিষয়ের উপরে ঘুরিয়ে পেচিয়ে ডাবল বরাদ্দ করিয়ে আনতেন, একটা’র কাজ নিজেরাই করতো, আরেকটার বরাদ্দের টাকা নিজেদের আখেরি হিসাবে পকেটে রেখে দিতো, এটাই এদের মামা ভাগ্নের খেলা ছিলো। ভাগ বন্টন নিয়ে যখন মামা ভাগ্নের মধ্যে বিপত্তি ঘটলো ঠিক তখনি তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে সনৎ ঘোষের বিপক্ষে প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে তালা উপজেলা আওয়ামীলীগকে ভেঙ্গে গ্রুপিং এ রুপান্তরিত করলো এই নব্য হাইব্রীড আওয়ামীলীগার প্রণব ঘোষ বাবলু।এ সময় সনৎ ঘোষের সাধারণ সম্পাদকের পদ টিকিয়ে রাখতে অবৈধ টাকা প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিলো। এর পরেও প্রণব ঘোষ খ্যান্ত না হয়ে গত উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনের সময় মামা সনৎ ঘোষের বিরুদ্ধে বীরমুক্তিযোদ্ধা এস.এম ফজলুল হক (সাবেক চেয়ারম্যান খেশরা ইউনিয়ন) সাহেব কে দাড় করিয়ে দেন।। সে নির্বাচনে সনৎ ঘোষ কে প্রণব ঘোষের প্রার্থীর কাছে হার মানতে হয়েছিলো প্রায়। খেশরা ইউনিয়ন থেকে উঠে আশা এই মুক্তিযোদ্ধাকে দিয়েও ঐই সনৎ ঘোষকে আরেকবার ফকির বানিয়ে ছেড়েছিলো। প্রণব ঘোষের এই ফর্মুলা কাজে লেগেছিলো ঠিকিই কিন্তু ফজলু চেয়ারম্যানের জনবল ও অর্থ না থাকার কারণে চেয়ারম্যানী পাশ করার পরেও সেটা ধরে রাখতে পারেনি।এখন প্রনব ঘোষ বাবলু দেখছে, মামা সনৎ ঘোষের সাথে বর্তমান এমপি মহোদয়ের সাথে ভাল সম্পর্ক, সেই সূত্র চিন্তা করে আবারও ছক পাতিয়ে মামা ভাগ্নে এক হয়ে গেছে। যারা ছিলো একে অপরের জানের দুসমন এখন আবার এক সাথে হয়ে উপজেলা নির্বাচন করছে, এটাই প্রণব ঘোষ বাবলুর চরিত্র। তালা উপজেলার রাজনীতিতে সনৎ ঘোষ একটা ফ্যাক্ট ছিলো। উপজেলা চেয়ারম্যান হবার আগে সনৎ ঘোষের পারিবারিক অবস্থা খুব একটা ভালো ছিলো না কিন্তু উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ার পর কপাল খুলে গেলো তার, বউকে হেডমাস্টারের চাকুরী, নিয়োগ বানিজ্যের টাকা দিয়ে নিজের অগণিত বাড়ীঘর নির্মাণ সহ প্রচুর টাকা ও সম্পদের মালিক হয়েছেন এই দসনৎ ঘোষ।
নিয়োগের বিষয়ে সব প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা নিতো সনৎ ঘোষের স্ত্রী রুপা ঘোষ। যেটার চাকুরী হত সেই প্রার্থীর টাকা রুপা ঘোষ রেখে দিতো। সনৎ ঘোষ নিজে হাতে করে টাকা নেন না, তবে একটু ঘুরিয়ে উনার স্ত্রী নেন, এটা তার কৌশল।তার টাকা ইনকাম করার মূল হাতিয়ার নিয়োগ বানিজ্য। কিছু দিন আগে তারই নিয়োগ দেওয়া পান্না নামের ছেলেটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে টাকা উত্তোলন করে ধরা খেলো, সেই পান্নার কিছুই হলো’না। কারণ কাজটা করলো সনৎ ঘোষ আর ধরা খেয়ে দোষ চাপানো হলো অফিসে সনৎ ঘোষের চাকুরী দেওয়া পান্নার উপরে, তারপরে সব কিছুই পানি করে দিলো নিমিষেই।

এ ব্যাপারে তালা উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ঘোষ সনৎ কুমার কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন প্রশ্নের জবাব দিতে পারবেন না বলে সব বলে দেন ।

এ ব্যাপারে তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি আপনাকে দেখে নেব।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park