তূর্য হোসেন স্টাফ: রিপোর্টার।।
রিক্তা বানু (৫৫), স্বামী-মৃত হাফিজুল ইসলাম,
মোছাঃ শাহিনা খাতুন (৪৫), স্বামী-মোঃ বাবলু,
ফাতেমা খাতুন (৬৩), স্বামী-কেয়ামত শেখ ইনু,
সর্বসাং-দক্ষিণ রেলগেট (পৌর ওয়ার্ড নং-০৯), থানা-ভেড়ামারা, জেলা-কুষ্টিয়াগণের অভিযোগ সূত্রে
জানাযায়, বিবাদী-০১। মোছাঃ সিমা খাতুন (৪২), স্বামী-মোঃ মামুন, ০২। মোঃ শাওন (২৫), পিতা-মোঃ মামুন, উভয়সাং-প্রফেসরপাড়া, ০৩। মোছাঃ মিতু (৫০), স্বামী-অজ্ঞাত, ০৪। মোঃ মনির (৬০), পিতা-অজ্ঞাত, উভয় সাং-কাঠেরপুল, সর্বথানা-ভেড়ামারা, জেলা-কুষ্টিয়াগণ পরস্পর যোগসাজসে সুদের ব্যবসা করে আসছে। বিশেষ অর্থের প্রয়োজন হলে রিক্তা খাতুন বিবাদী সিমার নিকট হতে যথাক্রমে, ছয় বছর পূর্বে নগদ ১,০০,০০০/= (এক লক্ষ) টাকা,
শাহিনা খাতুন নগদ ২০,০০০/= (বিশ হাজার) টাকা, মোছাঃ ফাতেমা খাতুন চার বছর পূর্বে নগদ
৭০,০০০/= (সত্তর হাজার) টাকা পরিশোধ শর্তে ধারকর্য নিয়ে থাকি।
আর্থিকভাবে বিপদগ্রস্থতার কারনে রিক্তা ও সঙ্গীয়গণ নির্দিষ্ট সময়মত টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে বিবাদী সিমা তাদের বিভিন্ন ভাবে চাপ সহ ভয়ভীতি ও প্রান নাশের হুমকি প্রদান করে যথাক্রমে প্রতিমাসে গৃহিত ধারকর্যের সমুদয় টাকার বিপরীতে রিক্তার নিকট হতে প্রতিমাসে
২০,০০০/= (বিশ হাজার) টাকা করে সর্বমোট ৪,৭০,০০০/= (চার লক্ষ সত্তর হাজার) টাকা, শাহিনা খাতুনের নিকট হতে প্রতিমাসে ৫,০০০/= (পাঁচ হাজার) টাকা করে সর্বমোট ১,৮০,০০০/= (এক লক্ষ আশি হাজার) টাকা, মোছাঃ ফাতেমার নিকট হতে প্রতিমাসে ১৪,০০০/= (চৌদ্দ হাজার) টাকা করে সর্বমোট
১,৬০,০০০/= (এক লক্ষ ষাট হাজার) টাকা গ্রহণ করে।
রিক্তা আরো অভিযোগ করেন,
ইং-২৩/০৪/২০২৪ তারিখ সকাল অনুমান ১১.৩০
ঘটিকার সময় বিবাদীগণ আমার বসত বাড়ির সামনে সঙ্গীয়গণকে ডেকে নিয়ে এসে আমাদের নিকট হতে
পুনরায় টাকা দাবি করা শুরু করে। আমি সহ সঙ্গীয়গণ বিবাদীগণকে আর কোনো ভাবেই টাকা দেওয়া সম্ভবকর নয় এই মর্মে জানিয়ে আমাদের নিকট হতে জামানত হিসাবে বিবাদীগণের গ্রহনকৃত যারযার নামীয় হিসাব অনুযায়ী চেকপাতা গুলো ফেরৎ দিয়ে দেওয়ার বিষয়ে জানালে বিবাদীগণ ক্ষীপ্ত হয়ে আমাদের সহ পরিবারের শিশু সন্তানদের অশ্লীলভাষায় গালিগালাজ প্রদান, মারমুখি আচরন করে খুনজখমের হুমকি সহ হামলা-মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। সাক্ষী-০১। মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম (২৫), পিতা-মোঃ ওয়াজেদ আলী, সাং-নওদাপাড়া (পৌর ০৩নং ওয়ার্ড), ০২। মোঃ মিন্টু (৩৫), পিতা-মৃত আব্দুল মান্নান, সাং-নওদাপাড়া (পৌর ০২নং ওয়ার্ড), উভয় থানা-ভেড়ামারা, জেলা-কুষ্টিয়াদ্বয় সহ অনেকেই ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত অবগত রয়েছে।
উল্লেখ থাকে যে বিবাদীগণের এহেন আচরন আর্থিক দুরাবস্থার সুযোগ নিয়ে তাদের আসলের বিপরীতে অতিরিক্ত সুদ ধার্যের চাপে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পরে বুলবুলি খাতুন, স্বামী-অজ্ঞাত, সাং-কাচারিপাড়া, থানা-ভেড়ামারা, জেলা-কুষ্টিয়া অনুমান দুই বছর পূর্বে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। বিবাদীগণকে পুনরায় তাদের দাবি অনুযায়ী টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের দ্বারা ভুক্তভোগী দের কিংবা যে কাহারো প্রাণনাশ সহ যে কোনো প্রকার বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশু সম্ভাবনা থাকায়, সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সকলকে বিষয়টি অবগত করেছেন। এবং বিষয়টি নিয়ে পরিবার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করা এর থেকে পরিত্রানের জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।