1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট নিজের নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকের নামে মামলা? মীর শাহীনকে ঘিরে পুরোনো মামলার নথি, ব্যবসা ও পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্ন তালা কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক হাফিজুর রহমান সরকারি ওষুধ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ শতভাগ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা আবুল কালাম আজাদকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদ

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৯ বার পঠিত

সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমে “সাভারে আবুল কালাম আজাদকে ঘিরে অভিযোগ—ইউপি সচিব হয়ে জেলা প্রশাসককে ঘিরে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ!” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছেন আবুল কালাম আজাদ।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টায় ৫০ লাখ টাকা লেনদেন, বদলি-পদায়ন বাণিজ্য, ট্রেড লাইসেন্সে অনিয়ম, সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করার চেষ্টা, জেলা প্রশাসককে ঘিরে ষড়যন্ত্র এবং সম্পদের উৎস নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। আবুল কালাম আজাদের দাবি, এসব অভিযোগের অধিকাংশই সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি বলেন, একজন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ, সরকারি নথিপত্র যাচাই এবং অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সংগ্রহ করা সাংবাদিকতার দায়িত্ব। কিন্তু তার ক্ষেত্রে যথাযথভাবে বক্তব্য না নিয়েই এমনভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা তার সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছে।
‘২৪ ঘণ্টায় ৫০ লাখ টাকা’—প্রমাণ কোথায়?
প্রতিবেদনে ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৫০ লাখ টাকা লেনদেনের মতো গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে। আবুল কালাম আজাদ এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করছেন।
তার প্রশ্ন—কোথায়, কার সঙ্গে, কোন মাধ্যমে এবং কোন নথির ভিত্তিতে এই অর্থ লেনদেনের অভিযোগ করা হয়েছে? যদি এ ধরনের লেনদেনের কোনো প্রমাণ থাকে, তাহলে তা জনসম্মুখে উপস্থাপন করার আহ্বান জানান তিনি।
শুধু ‘অভিযোগকারীদের দাবি’ উল্লেখ করে এত বড় একটি আর্থিক অভিযোগ প্রকাশ করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মানদণ্ড পূরণ করে কি না—সেটিও তিনি প্রশ্ন করেন।
বদলি-পদায়ন নিয়ে অভিযোগের প্রতিবাদ
বদলি ও পদায়নকে কেন্দ্র করে আর্থিক লেনদেনের যে অভিযোগ প্রতিবেদনে করা হয়েছে, সেটিও তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
তার বক্তব্য, সরকারি চাকরিতে বদলি-পদায়ন একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। কোনো বদলি আদেশ বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে অর্থের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হলে তার পক্ষে সুনির্দিষ্ট দলিল, সরকারি নথি বা গ্রহণযোগ্য প্রমাণ থাকা প্রয়োজন।
জেলা প্রশাসককে ঘিরে ‘ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ
প্রতিবেদনে জেলা প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করা এবং ষড়যন্ত্রের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীনভাবে কারও বিরুদ্ধে প্রকাশ করা উচিত নয়। কারও বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ, প্রমাণ ও নথি উপস্থাপন করা উচিত। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানান।
ট্রেড লাইসেন্স ও নাগরিক সেবা নিয়ে অভিযোগ
ট্রেড লাইসেন্সসহ ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সেবায় অনিয়ম এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেছেন।
তার দাবি, এ বিষয়ে যদি কোনো নির্দিষ্ট সেবাগ্রহীতার অভিযোগ থাকে, তাহলে তার নাম, আবেদন, রসিদ, সরকারি ফি এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের নথিপত্র যাচাই করা হোক। তদন্তে কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও তার আপত্তি নেই।
সম্পদের বিষয়ে বক্তব্য
প্রতিবেদনে তার সম্পদ ও আয়ের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আবুল কালাম আজাদ বলেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা ব্যক্তির সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন থাকলে সম্পদ বিবরণী, আয়কর নথি, ব্যাংক হিসাব, জমির দলিল ও সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি যাচাই করেই মন্তব্য করা উচিত।
শুধু অনুমান বা অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে উপস্থাপন করা অনুচিত।
নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান
আবুল কালাম আজাদ বলেন, তিনি কোনো তদন্ত থেকে পালিয়ে যেতে চান না। বরং প্রকাশিত প্রতিবেদনে যেসব গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলোর নিরপেক্ষ ও প্রাতিষ্ঠানিক তদন্ত হোক।
প্রয়োজনে—
কথিত ৫০ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ;
বদলি-পদায়ন সংক্রান্ত সরকারি নথি;
ট্রেড লাইসেন্সের রেজিস্টার ও ফি আদায়ের হিসাব;
অভিযোগকারীদের লিখিত অভিযোগ;
তার আয়কর ও সম্পদ বিবরণী;
ব্যাংক ও অন্যান্য বৈধ আর্থিক নথি;
জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রশাসনিক রেকর্ডযাচাই করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিবাদ প্রকাশের দাবি
আবুল কালাম আজাদ সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের কাছে তার এই প্রতিবাদ ও বক্তব্য যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কোনো অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক; কিন্তু প্রমাণের আগে একজন সরকারি কর্মচারীর সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন হয়—এমন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকা উচিত।
তিনি আরও জানান, প্রকাশিত প্রতিবেদনের কারণে তার সম্মানহানি হয়ে থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার তিনি সংরক্ষণ করেন।
প্রতিবাদকারী:
আবুল কালাম আজাদ
সাবেক ইউপি সচিব, ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ, সাভার, ঢাকা

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park