মনিরামপুর (যশোর)প্রতিনিধিঃ-যশোর মণিরামপুর উপজেলার পাড়িয়ালী গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (৩২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে মনিরামপুর থানা পুলিশ। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার ১৩নং খানপুর ইউনিয়নের সাতনল জোড়া ব্রীজের পাশ থেকে এলাকাবাসীর সংবাদের উপর ভিত্তি করে পুলিশ এ মরদেহ উদ্ধার করে। সে উপজেলার কুলটিয়া ইউনিয়নের পাড়িয়ালী গ্রামের সাবেক মেম্বর নুরুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় জনতা ও তার পরিবারের অভিমত তাকে হত্যা করা হয়েছে,পরিবার সুত্রে জানা গেছে জাহাঙ্গীর আলম বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক উপ ছাত্র বৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন, জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যুতে তার এলাকা পাড়িয়ালী গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বলেন জাহাঙ্গীর আলম অত্যন্ত মেধাবী এবং নেতৃত্বদানকারী একজন ব্যক্তি ছিলেন।
নিহতের শ্বশুর পার্শ্ববর্তী ডাঙ্গামহিষদিয়া গ্রামের ইউপি সদস্য মফিজুর রহমান জানান, তার জামাতা জাহাঙ্গীর আলম ঢাকা কলেজ থেকে মাষ্টার পরীক্ষা শেষ করে ঢাকায় আরএফএল কোম্পানিতে চাকরি করতেন। বৃহস্পতিবার রাতে ছুটি নিয়ে জাহাঙ্গীর বাড়িতে আসতেছিলো রাত দেড়টার দিকে তার সাথে মোবাইলে কথা হয়। তখন জাহাঙ্গীর আলম গাড়িতে আছে বলে তাকে জানায়। সকালে তার মোবাইলে একাধিকবার কল দিলে সেটা বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর সাতনল এলাকার স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহটি রাস্তা থেকে আনুমানিক ৮০ফুট দুরে নারিকেল গাছের পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়।একই স্হানে পূর্বেও কয়েকটি হত্যাকান্ড এবং ছিনতায় এর ঘটনা ঘটেছে।জোড়া ব্রীজের পূর্ব এবং পশ্চিম পাশে একটু দূরে দুইটি সোলারের সিকিউরিটি লাইট রয়েছে কিন্তু জোড়া ব্রীজটিতে অন্ধকার থাকে আর যত হত্যাকান্ড এবং ছিনতায় এই ব্রীজের পাশে এভাবে সংঘঠিত হচ্ছে স্হানীয় এবং পথচারিদের বলেন এই ব্রীজটিতে একটি সিকিউরিটি লাইট দেবার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
মণিরামপুর থানার ওসি শেখ মনিরুজ্জামান জানান, আমরা সংবাদ পেয়ে তার মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করছি। তবে নিহত জাহাঙ্গীরের গায়ে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। কি কারনে তার মৃত্যু হয়েছে, সেটা ময়না তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে সবকিছু পরিস্কার হওয়া যাবে।পরবর্তীতে যশোর জেলা ডিবি পুলিশ এসে ঘটনাস্হল পরিদর্শন করেন।