1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা জেলা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন বিশ্বাসের অপসারণ এর দাবিতে আইনজীবীদের জরুরী সভা কালিগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ ১ মহিলা কারবারি আটক সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলা ভাদয়ালিতে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছোট ভাইয়ের সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ পাইকগাছায় পুলিশের তৎপরতায় সাইবার প্রতারণায় হারানো ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার সাতক্ষীরার রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা থেকে রক্ষা পেতে কোটি টাকার মিশন? শম্পা গোস্বামীর দৌড়ঝাঁপ আওয়ামী লীগের এমপির স্বামী আবুল কালাম আজাদ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মেয়ে রুপিয়া আক্তার রিমা অসুস্থ, সবার কাছে দোয়া কামনা চুকনগর-খর্নিয়া এলাকায় ইজিবাইক ও ট্রাক থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, থামবে কবে? এসআই মুন্সী পারভেজ হাসানকে ঘিরে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ; ৪৩৬টি ইজিবাইক থেকে মাসে ৩০০ টাকা করে আদায়ের দাবি, ট্রাক থেকেও টাকা নেওয়ার অভিযোগ কালীগঞ্জে পুরোনো ভিডিও ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা, দুই ফেসবুক আইডিকে ঘিরে আলোচনা জামায়াত-বিএনপিকে রক্ষার প্রতিদান, চাকরি হারালেন শ্যামল মুখার্জী! তালার কৃতী সন্তান সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজিকে ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া সাতক্ষীরার আলোচিত এনজিও মালিক শম্পা গাসামি রাষ্ট্রদ্রোহ ও অর্থ পাচার মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে আবারও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ শম্পা গাসামির বিরুদ্ধে

১৪তম গ্রেডের চাকরি, অথচ সম্পদের পাহাড়? তেতুলঝোড়া ইউপির সাবেক সচিব মীর আব্দুল বারেককে ঘিরে বাড়ছে প্রশ্ন

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৭২ বার পঠিত

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:
একজন ১৪তম গ্রেডের ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের চাকরি করে কীভাবে অল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিক হওয়া সম্ভব—এ প্রশ্ন এখন সাভার ও ধামরাই এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
তেতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব এবং বর্তমানে ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত মীর আব্দুল বারেককে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা অভিযোগ ও প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরে ঘুরপাক খেলেও, অভিযোগকারীদের দাবি অনুযায়ী এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর তদন্ত বা পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, সরকারি বরাদ্দ ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে কোনো সরকারি সংস্থা এখনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।
সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন
স্থানীয়দের দাবি, কয়েক বছর আগেও তার জীবনযাত্রা ছিল সাধারণ। কিন্তু অল্প সময়ের ব্যবধানে বহুতল ভবন, মূল্যবান জমি, ফ্ল্যাটসহ বিভিন্ন সম্পদের মালিকানা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন, একজন ১৪তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীর বৈধ আয় এবং তার নামে বা পরিবারের নামে প্রচারিত সম্পদের পরিমাণের মধ্যে কোনো অসামঞ্জস্য রয়েছে কি না—তা স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
তদন্তের দাবি
এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ—বিশেষ করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও স্থানীয় প্রশাসন—যদি নিরপেক্ষ অনুসন্ধান চালায়, তাহলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে। অভিযোগ সত্য হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, আর অভিযোগ মিথ্যা হলে সেটিও জনগণের সামনে স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
পরবর্তী পর্বে
পরবর্তী প্রতিবেদনে থাকবে—মীর আব্দুল বারেকের নামে ও বেনামে সম্পদ কেনার অভিযোগ, স্থানীয়দের বক্তব্য এবং অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য (যদি পাওয়া যায়)।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park