1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট নিজের নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকের নামে মামলা? মীর শাহীনকে ঘিরে পুরোনো মামলার নথি, ব্যবসা ও পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্ন তালা কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক হাফিজুর রহমান সরকারি ওষুধ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ শতভাগ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

হাইকোর্টের জামিন বাতিলে পলাতক হলেও ওয়ারেন্ট ইস্যু চাপা রেখে প্রকাশ্যে রমরমা মাদক কারবার জেল থেকে ফিরে এসে আবারো বেপরোয়া সীমান্তের চিহ্নিত মাদক সম্রাট শাহাদাত

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫
  • ১৯৮ বার পঠিত

এসএম রুবেল সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার চাঁপাইনবাবগঞ্জ;বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য নিয়ে গ্রেপ্তারের পর জামিনে বেরিয়ে এসে আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ সীমান্তের মাদক সম্রাট শাহাদাত হোসেন। আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে আদালত ও পুলিশের চোখে পলাতক হলেও প্রকাশ্যে মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করছে শাহাদাত। এনিয়ে দেখা দিয়েছে হাইকোর্টের আদেশ চেপে রাখা নিয়ে নানা প্রশ্ন!অভিযোগ উঠেছে, আদালতের কিছু অসাধু কর্মচারীকে ম্যানেজ করে ওয়ারেন্ট ইস্যু স্থগিত রেখেছেন গতবছরের জানুয়ারীতে বিজিবির হাতে ১৯৮৫ পিস ইয়াবা, দেড় কোটি টাকা মূল্যের এক কেজি ৫৬৫ গ্রাম হেরোইন ও ১৫ পিস ফেনসিডিলসহ আটক শাহাদাত হোসেন। উচ্চ আদালতের অস্থায়ী জামিনের পর নিম্ন আদালত জামিন বাতিল করলে গত ৪ মাস থেকে পলাতক থাকলেও এনিয়ে কোন তৎপরতা নেই পুলিশের। এই সুযোগে তার মাদক সাম্রাজ্য আবারো চাঞ্জা হয়ে উঠেছে বলে জানা গেছে অনুসন্ধানে। জানা যায়, গতবছরের ১০ জানুয়ারী বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ হাতেনাতে শাহাদাত হোসেনকে আটক করে ৫৯ বিজিবি ব্যাটলিয়নের সোনামসজিদ বিওপির একটি অভিযানিক দল। পরে তার বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় হয় নিয়মিত মাদক মামলা। পরে এই মামলায় উচ্চ আদালতে দুই মাসের অস্থায়ী জামিন নেন মাদক সম্রাট শাহাদাত হোসেন। জামিনে বের হয়ে আসার পর জামিন স্থগিত করার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যায়। এরপর গত ৪ মাস থেকে কাগজে-কলমে পলাতক রয়েছেন শাহাদাত হোসেন। কিন্তু মোটা অংকের লেনদেনের মাধ্যমে ওয়ারেন্ট ইস্যু বন্ধ রাখায় ধরাছোঁয়ার বাইরে তিনি। ফলে প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি মাদক কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন রমরমা শাহাদাত। আদালত ও পুলিশের দৃষ্টিতে পলাতক থাকলেও অনুসন্ধানে জানা গেছে ভিন্ন তথ্য। অনুসন্ধানে জানা যায়, পুলিশ ও আদালতের কিছু অসাধু ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন শাহাদাত হোসেন। বর্তমানে তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে সীমান্তের হেরোইন ও ফেনসিডিল পাচার। ভারত থেকে এসব হেরোইন ও ফেনসিডিল সংগ্রহ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহর ও রাজশাহীসহ সারাদেশে মাদক সরবরাহ করে তার সিন্ডিকেট। এনিয়ে কয়েক দফায় আটক ও মামলা হলেও আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে জামিনে বেরিয়ে এসে আবারো বেপরোয়া হয়ে শুরু করেন মাদক কারবার। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বর্তমানে ভারতীয় সীমান্তের পুরো মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে শাহাদাত হোসেন। এতে তাকে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেন তার ঘনিষ্ঠ চার সহযোগী। এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তে মাদক কারবারের মাধ্যমে শাহাদাত গড়ে তুলেছেন বিপুল পরিমাণ সম্পদের পাহাড়। বিভিন্ন স্থানে যানবহন ও জমি কিনেছেন বলেও জানা গেছে। এমনকি তার এই কারবারে বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় অসাধু সদস্য জড়িত বলেও অনুসন্ধানে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সীমন্ত এলাকায় পুরো মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন শাহাদাত হোসেন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা একাধিকবার বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক করলেও তার মাদক ব্যবসায় কোনরকম পরিবর্তন আসেনা৷ প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাকে নিয়ে কোন তৎপরতা নেই। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে আটক করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা। চলতি বছরের গত ০৪ মার্চ উচ্চ আদালতে অস্থায়ী দুই মাসের জামিনে বেরিয়ে আসলেও এর ২৩ দিন পরই হাইকোর্ট অর্থাৎ গত ২৭ মার্চ জামিন স্থগিত করে, যা নিম্ন আদালতে আদেশ গৃহীত হয়। বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে মামলাটি চলমান রয়েছে। যার জিআর নাম্বার-১৮/২৪ (শিবগঞ্জ), সেশন নম্বর ১৩৭৪/২৪ মামলায় গত প্রায় ৪ মাস ধরে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে পলাতক রয়েছে মাদক সম্রাট শাহাদাত হোসেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জজ আদালতের একজন সিনিয়র আইনজীবী বলেন, সীমান্তের মাদক ব্যবসায়ীদের প্রচুর অবৈধ টাকা। এই সুবাদে আদালত ও পুলিশের কিছু অসাধু সদস্যকে তারা উৎকোচ দিয়ে কিনে নেয়। ফলে আদালতের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রকাশ্যে এসব কর্মকান্ড পুনরায় করে তারা। আশা করি, বিষয়টি আদালত গুরুত্ব সহকারে দেখবেন এবং আসামীসহ জড়িত সকলের বিরুদ্ধে খতিয়ে দেখাসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park