সুমন মিয়া বিশেষ প্রতিনিধিঃসাভার উপজেলার তেতুলঝোড়ার ইউনিয়নের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আলী আহাদ মাসুদ বিভিন্ন চাদাবাজী ও নানা ধরনের অপকর্মের হোতা।কে এই মাসুদ? মানিকগঞ্জ জেলার, সিংগাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের বাস্তা গ্রামে তার বাড়ি।মাসুদের পিতার নাম জনাব আলী মাতা সামেলা বেগম। ৫ ভাই বোনের ভেতর ৪ নাম্বার। আগে গার্মেন্টস কর্মী ছিলো। সেখান থেকে পরিচয় হয় কিছু ডাকাত সদস্যদের সাথে। ডাকাতি করতে গিয়ে খুনের মামলায় জেল খাটে মাসুদ। প্রায় দের বছর জেল খেটে গ্রামের বাড়িতে এসে আবার তার অপকর্ম শুরু করে। মাদক সেবন, ও মেয়েদের সাথে প্রেমের অভিনয় করে একাধিক মেয়েকে ধর্ষণ করে। সাথে টুকটাক ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত থাকে। বাস্তা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমানের তিন মেয়ে মাসুদের লালসার শিকার হয়। ভুক্তভোগী লোক লজ্জায় কাউকে কিছু জানায় না।কিন্তু ভুক্তভোগীর ছেলে মকবুল বিষয় টা মেনে নেয়নি।মাসুদকে ধরে মারধোর করে। এলাকায় বিষয়টি জানাজানি হলে মাসুদ কে গ্রাম থেকে বিতাড়িত করে।
মাসুদ আশ্রয় নেয় তেতুল ঝোড়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আইয়ুব আলীর কাছে।
সেখান থেকে সাভার উপজেলার আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী ও উপজেলা চেয়ারম্যান এর গরুর ফার্মের রাখাল হিসেবে যোগ দেয়।
সেখান থেকে হয় মাসুদের উথান।মঞ্জুরুল আলম রাজীবের পরিচয় দিয়ে বাগিয়ে নেয় তেতুলঝোড়া ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এর পদ। সাথে শুরু করে সাভার উপজেলার হেমায়েতপুর স্টান্ডে থেকে পরিবহন চাদাবাজী। ইজিবাইক ও লেগুনা থেকে নিয়মিত চাদা তুলতো।সাথে মাদক ব্যবসায় ও বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে রাজীবের কথা বলে চাদা নিতো। বিভিন্ন জায়গায় রাজীবের প্রভাব খাটিয়ে মাসুদ জমি দখল করতেও দেখা যায়।
ইজিবাইক চালকের সাথে কথা বললে তারা জানায় মাসুদ তাদের গাড়ি থেকে প্রতিদিন ১৩০ টাকা মাসে ৩০০ ও গাড়ি ভর্তির নামে ৪,৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিতো।এভাবে সে হয়ে উঠে প্রায় কোটি টাকার মালিক।মঞ্জুরুল আলম রাজীব ও মাসুদের নিজস্ব গুন্ডা বাহিনীর ভয়ে কেউ কিছু বলতে সাহস পেতোনা।বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আনদোলনে শেখহাসিনার পদত্যাগ ও দেশ ছাড়ার পরে মাসুদ গা ঢাকা দেয়। মুঠো ফোনে তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে হলে আলী আহাদ মাসুদের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।