1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট নিজের নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকের নামে মামলা? মীর শাহীনকে ঘিরে পুরোনো মামলার নথি, ব্যবসা ও পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্ন তালা কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক হাফিজুর রহমান সরকারি ওষুধ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ শতভাগ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

সৌদি আরবের জাতীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মুখপাত্র সুলতান আল-হার্থি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ৪২ বার পঠিত

পবিত্র হজের মৌলিক আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর বিপুল পরিমাণ ব্যবহৃত ইহরামের কাপড় সাধারণত উদ্বৃত্ত হিসেবে থেকে যায়। এই কাপড়কে বর্জ্যে পরিণত না করে পরিবেশবান্ধব সম্পদে রূপান্তরের এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। ‘টেকসই ইহরাম’ নামে পরিচিত এই প্রকল্পের আওতায় গত এক বছরে হাজিদের ব্যবহৃত ইহরামের কাপড় পুনর্ব্যবহার করে ৫ হাজারেরও বেশি নতুন পণ্য তৈরি করা হয়েছে।সৌদি আরবের জাতীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মুখপাত্র সুলতান আল-হার্থি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে জাতীয় রূপান্তর কর্মসূচি এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে এটি সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।ইহরামের সাদা কাপড় ইসলামে সাম্য, পবিত্রতা এবং বিনয়ের প্রতীক। হজ পালনকালে পুরুষ হাজিদের জন্য সেলাইবিহীন দুটি সাদা সুতি কাপড় পরিধান করা আবশ্যক, যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের সব বিভেদ মুছে দিয়ে সবাইকে এক কাতারে দাঁড় করায়। হজের নিয়ম অনুযায়ী ১০ জিলহজ জামারাতে পাথর নিক্ষেপ এবং চুল কাটার পর হাজিরা প্রথম ধাপে ইহরামের অবস্থা থেকে বের হয়ে আসেন। এরপর তাওয়াফে ইফাদাহ সম্পন্ন করার মাধ্যমে তারা স্বাভাবিক পোশাকে ফিরে যান। ফলে বিপুল পরিমাণ ইহরামের কাপড় উদ্বৃত্ত হয়ে পড়ে।সুলতান আল-হার্থি বলেন, এই প্রকল্প শুধু পরিবেশ সংরক্ষণেই অবদান রাখছে না, বরং জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে এবং অলাভজনক খাতের বিকাশেও সহায়তা করছে। বিশেষ করে উৎপাদনমুখী পরিবারের নারীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি হাজিদের সেবার মানও আরও উন্নত হয়েছে।প্রকল্পটির অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সুফল তুলে ধরে তিনি জানান, ফেলে দেওয়া ইহরামের কাপড় ব্যবহার করে ৫ হাজারের বেশি পণ্য তৈরি করায় পরিবহন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ৩০টি খণ্ডকালীন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং ২৫ জন প্রান্তিক নারী দর্জি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এটি চক্রাকার অর্থনীতি (Circular Economy)-এর একটি সফল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park