নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা:
সাতক্ষীরা সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) বদরুল জামানকে নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সংবাদকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা ও সচেতন নাগরিকের অভিযোগ, প্রকাশিত সংবাদে বাস্তব তথ্যের পরিবর্তে মনগড়া, বিভ্রান্তিকর ও একপেশে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা হতে পারে।
স্থানীয়দের দাবি, সহকারী কমিশনার (ভূমি) বদরুল জামান যোগদানের পর থেকে সরকারি খাসজমি রক্ষা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, ভূমি-সংক্রান্ত সেবার স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কার্যক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
অভিযোগকারীরা বলেন, কোনো সংবেদনশীল অভিযোগ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়া এবং তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করা সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি। কিন্তু আলোচিত সংবাদে সেই নীতির যথাযথ অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সচেতন নাগরিকদের মতে, প্রমাণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করলে তা শুধু ব্যক্তির সম্মানহানিই নয়, সাধারণ মানুষের মাঝেও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।এদিকে, অনেকেই মত প্রকাশ করেন যে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সংবাদ প্রকাশে সত্যতা, নিরপেক্ষতা ও তথ্য যাচাই নিশ্চিত করাও সমানভাবে জরুরি। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল ও তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা চর্চা করা হবে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত সংবাদ প্রকাশকারী প্রতিষ্ঠান বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।