নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের কর্মরত নাছরিন আক্তার ওরফে শারমিন নামে এক নার্সের বিরুদ্ধে পতিতা পল্লী খোলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কর্মরত ৪জন সাংবাদিকের হাতে আটকের পর তিনি ত্রিশ হাজার টাকায় দফারফা করে নাসরিন ওরফে শারমিন আক্তার।ওই সময় সাংবাদিকরা তাকে খদ্দের সহ আটকের ভিভিও চিত্র ধারন করে রাখে। নাম না জানানোর শর্তে ওই সাংবাদিকদের মধ্যে একজন বলেন,
শারমিন মেডিকেল কলেজে নার্সের চাকুরি করেন।তার বাড়ি আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি এলাকায়। চাকরি করার সুবাদে সে প্রথমে শহরের রসুল পুরে ভাড়া থাকত এরপর সেখানে পতিতা বৃত্তি করতে গিয়ে আটকের পর সে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়।এরপর সে পলাশপোলা এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে পতিতা পল্লী গোড়ে তোলে। দিনরাত সেখানে অবাদে নারী পুরুষ যাতায়ত করতে থাকে সেখানে। বিষয়টি বুঝতে পরে বাড়ির মালিক সেখান থেকে বের করে দেয়। দিন পনের আগে সে শহরের পুলিশ লাইনের সামনে পাঁচতলা বিশিষ্ট ভবনে ৭হাজার টাকা ভাড়া নিয়ে। সে খানে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে সেখানে অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে।গতকাল শহরের সাংবাদিকদের একটি টিম সেখানে হানা দিলে আপত্তি কর অবন্তায় এক নারী ও পুরুষকে আটক করে। ওই সময়ে তার কয়েকটি রুমে দুই থেকে তিন জন পতিতাকে দেখা যায়।পরে শারমিন ওরফে নাছরিন তাদের হাতপা ধরে ত্রিশ হাজার টাকায় বিষয়টি মিটিয়ে নেয়।
সালাম নামে এক যুবক বলেন, শারমিন আপা নার্সের চাকরির আড়ালে পতিতা ভাড়া করে দীর্ঘদিন ধরে অপকর্ম করে আসছে। সেখানে ৫০০থেকে ১০০০হাজার টাকায় দর হাকানো হয়। এছাড়া নাইট তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় নিয়ে থাকেন। পুলিশের নাকে ডোগায় থাকলেও তারা যেন নিরব দর্শকের ভুমিকায়।এবিষয়ে নাছরিন ওরফে শারমান আক্তার বলেন, এসব মিথ্যা কথা আমি এসব করিনা বলে ফোন কেটে দেন।এরপর সাগর নামে এক যুবক কথিত খালাতো ভাই পরিচয় দিয়ে সাংবাদিকে ফোন দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।এবিষয়ে সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান জানান, শারমিনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।