1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট নিজের নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকের নামে মামলা? মীর শাহীনকে ঘিরে পুরোনো মামলার নথি, ব্যবসা ও পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্ন তালা কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক হাফিজুর রহমান সরকারি ওষুধ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ শতভাগ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য কর্মকর্তা ওমর ফারুক বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৯৫ বার পঠিত

সাতক্ষীরা জেলার খাদ্য গুদাম গুলোতে ভয়ঙ্কর দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠেছে যার ভাগ প্রতি মাসেই সাতক্ষীরা জেলা কর্মকর্তা ওমর ফারুক পান । মিলারদের কাছ থেকে টনপ্রতি ৪০০–৫০০ টাকা ঘুষ নিয়ে গুদামে ঢুকানো হয়েছে নিম্নমানের চাল! অল্প সময়ে কোটিপতি বনে গেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ও সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য ওমর ফারুক বিরোধী স্থানীয় মিল মালিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা ওমর ফারুক প্রতি মাসে মোটা অংকের ঘুষ বাণিজ্যের করেন বলে জানা গিয়েছেন। কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, এই ঘুষ এখন ওপেন সিক্রেট বিষয়—একে বলা হয় “অফিসিয়াল খরচ”! নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঘুষের এই রেট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয় থেকে নির্ধারণ করা হয় আঞ্চলিক খাদ্য কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে। উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বলা হচ্ছে—“তোমরা শুধু নিয়ম মেনে চলো, দোষ গেলো ওপরে।”অভিযোগ উঠেছে, ভালো মানের চালও ঘুষ ছাড়া গুদামে ঢুকতে পারে না। মিলাররা বলেন—“ঘুষ না দিলে আমাদের ভালো চালও মন্দ বলে ফেরত দেয়। আবার ঘুষ দিলে মন্দ টাকেও ভালো বলে গ্রহণ করে। আমরা প্রতিবাদ করলে ব্যবসা ও লাইসেন্স ঝুঁকির মুখে পড়ে।”সম্প্রতি বোরো মৌসুমে এই ঘুষ বাণিজ্য ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। বিভিন্ন গুদামে নিম্নমানের চাল জমা পড়েছে, অথচ সরকারি তদারকি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন“জনগণের ট্যাক্সের টাকায় চাল সংগ্রহের এই প্রকল্পে যদি ঘুষ–দুর্নীতি চলে, তবে সাধারণ মানুষের জন্য সরকার কিসের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে? যে কর্মকর্তারা কোটি টাকার মালিক বনে যাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কে? চুনোপুঁটি নয়—কেন বড় সিন্ডিকেটকে ধরা হচ্ছে না?”বিশ্লেষকরা বলছেন, এভাবে নিম্নমানের চাল গুদামে জমা পড়লে খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তাদের অধিকার দুটোই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সরকারি চাল সংগ্রহের নামে এ ধরনের ঘুষ বাণিজ্য শুধু সরকারি কোষাগারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, একই সঙ্গে জনবিশ্বাসকেও ধ্বংস করছে।এখন প্রশ্ন উঠছে—“সরকার কবে এই দুর্নীতি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে? অথবা জনগণকে আরও কতদিন ভোগান্তি পোহাতে হবে?”

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park