নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাতক্ষীরা জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা ইমরান হোসেনকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। দীর্ঘদিন অফিসে প্রভাব বিস্তার, বিভিন্ন অনিয়ম এবং আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগের পর এবার তার নামে-বেনামে গড়ে ওঠা সম্পদের খোঁজে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, চাকরিজীবনের শুরুতে সাধারণ জীবনযাপন করলেও অল্প কয়েক বছরের ব্যবধানে ইমরানের আর্থিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। বর্তমানে তার নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন স্থানে জমি, বাড়ি, ব্যবসায়িক বিনিয়োগ এবং ব্যাংক লেনদেনের তথ্য নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ, ঠিকাদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ, ফাইল ছাড় এবং বিল প্রক্রিয়াকরণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন আর্থিক সুবিধা নেওয়ার মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করেন তিনি। এসব অর্থ দিয়েই গড়ে তোলা হয়েছে সম্পদের পাহাড়—এমনটাই দাবি স্থানীয়দের।
একাধিক সূত্র আরও জানায়, শুধু নিজের নামেই নয়, ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজনের নামেও কিছু সম্পদ রয়েছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।এলাকাবাসীর ভাষ্য, “একজন সাধারণ চাকরিজীবী থেকে হঠাৎ বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া রহস্যজনক। সঠিক তদন্ত হলে সব বেরিয়ে আসবে।”
এদিকে সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, ইমরানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে হলে তার আয়কর নথি, ব্যাংক হিসাব, সম্পদের বিবরণী এবং চাকরিজীবনের সময়কার কর্মকাণ্ড যাচাই করা জরুরি।
অভিযুক্ত ইমরান হোসেনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
📢 সচেতন মহলের দাবি:
ইমরানের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ
নামে-বেনামে সম্পদের অনুসন্ধান
দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত
জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা
📰 (পর্ব–৪ এ থাকছে: কীভাবে অফিসে প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিলেন ইমরান, কারা ছিলেন তার সহযোগী?)