1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট নিজের নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকের নামে মামলা? মীর শাহীনকে ঘিরে পুরোনো মামলার নথি, ব্যবসা ও পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্ন তালা কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক হাফিজুর রহমান সরকারি ওষুধ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ শতভাগ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

সাতক্ষীরার সুন্দরবনে গুলি করে কাঁকড়া শিকারিকে হত্যার অভিযোগ বনবিভাগের বিরুদ্ধে

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ৭৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক,সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলসংলগ্ন সুন্দরবনে গুলি করে আমিনুর গাজী (৩৪) নামে এক কাঁকড়া শিকারিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বনবিভাগের এক কর্মকতার বিরুদ্ধে । নিহত আমিনুর গাবুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর সোরা গ্রামের আকছেদ গাজীর ছেলে।
স্থানীয়দের দাবি, কয়েকদিন আগে বৈধ পাস নিয়ে চার জেলে দুটি নৌকায় করে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে যান। সোমবার (১৮ মে) সকালে বনবিভাগের লোকজন তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে আমিনুর গুলিবিদ্ধ হন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।গাবুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাকসুদুল আলম বলেন, ফরেস্টারের গুলিতে জেলে আমিনুর রহমান নিহত হয়েছেন। তারা চারজন দুটি নৌকায় করে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন। সকালে তাদের দেখে মোবারক নামে এক বন কর্মকর্তা গুলি করেন। পরে কাছে গিয়ে দেখেন আমিনুর মারা যাচ্ছেন। এরপর তিনি ফিরে আসেন।তিনি আরও বলেন, জেলেরা সাতক্ষীরা রেঞ্জের ভেতরেই অবস্থান করছিলেন। দুপুরে মরদেহ লোকালয়ে নিয়ে আসা হলে পরিবার ও গ্রামবাসীদের মাঝে শোকের মাতম শুরু হয়। বর্তমানে আমরা মরদেহের সঙ্গে আছি এবং ফরেস্ট অফিস ঘেরাও করতে যাচ্ছি।তবে এ ঘটনার পর বনবিভাগের সংশ্লিষ্ট রেঞ্জার ও কর্মকর্তাদের ফোনে পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে পশ্চিম সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান বলেন, বনবিভাগের কেউ গুলি চালিয়েছে এমন তথ্য এখনো নিশ্চিত নই। ডাকাতদের গুলিতে নাকি কোস্টগার্ডের গুলিতে মারা গেছে সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বনবিভাগের গুলিতে মারা গেলে কেন গুলি করা হয়েছে, সেটির জবাবদিহি অবশ্যই করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মোবারক নামে এক কর্মকর্তার নাম আসছে, তবে এখনো তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park