তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিশখালী ইউনিয়নের সহকারী শিক্ষক সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্প্রতি প্রকাশিত পরকীয়ার অভিযোগকে ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় সচেতন মহল।
প্রতিবাদকারীরা অভিযোগ করেন, একটি কুচক্রী মহল সাংবাদিকদের কাছে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। তারা বলেন, প্রকৃত ঘটনা যাচাই না করেই কিছু তথ্য প্রচার হওয়ায় একজন সম্মানিত শিক্ষকের ব্যক্তি ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।সিরাজুল ইসলামের ঘনিষ্ঠজনরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা করে আসছেন এবং এলাকায় একজন ভদ্র, নৈতিক ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য ও পরিকল্পিত অপপ্রচার বলে তারা দাবি করেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বলেন, যেভাবে “হাতেনাতে ধরার” দাবি করা হয়েছে, তার কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। বরং ঘটনাটি অতিরঞ্জিত করে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চলছে।
প্রতিবাদকারীরা আরও বলেন, কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় তদন্ত হওয়া উচিত। একতরফা ও যাচাইবিহীন তথ্য প্রকাশ করা সাংবাদিকতার নীতির পরিপন্থী এবং এতে সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।