নিজস্ব প্রতিনিধি:সাতক্ষীরা সদর উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মফিজুর রহমান তৈবুর রহমান বিরুদ্ধে সরকারি কাজ বাস্তবায়নে দুর্নীতি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ ০২/০৭/২০২৪/ সাতক্ষীরার জনস্বাস্থ্য অফিসের টেন্ডারের বাণিজ্য নেপত্য তৈমুর রহমান ও মফিজ শিরোনামে নিউজ প্রকাশিত হয় দৈনিক সোনার বাংলাদেশ পত্রিকার সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় এরপরেই কর্তৃপক্ষ নজরে আসলেই মফিজের বিরুদ্ধে তদন্ত দিলেও ধরা চাওয়ার বাইরে রয়েছেন তৈমুর রহমান এই নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনার ঝড় অনুসন্ধানে গিয়ে জানা যায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে। অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাতক্ষীরা জনস্বাস্থ্য অফিসের মফিজ ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি, খুলনা জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মঈনুল হাসানকে।স্থানীয়দের অভিযোগ,সাতক্ষীরা জনস্বাস্থ্য অফিসের অভিযুক্তের মফিজ ঘনিষ্ঠজনকে তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত করায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এতে প্রকৃত সত্য আড়াল হওয়ার আশঙ্কা করছেন অনেকে।স্থানীয় এক ঠিকাদার বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা অভিযুক্তের ঘনিষ্ঠ, তার পক্ষে নিরপেক্ষ প্রতিবেদন দেওয়া কতটা সম্ভব—এটাই এখন বড় প্রশ্ন?সুশাসনের স্বার্থে নিরপেক্ষ, দূরবর্তী ও সংশ্লিষ্টতার বাইরে থাকা কর্মকর্তার নেতৃত্বে নতুন তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি উঠেছে সচেতন নাগরিক সমাজ থেকে।
দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত না হলে আস্থা হারাবে সাধারণ মানুষ। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পুনর্বিবেচনার দাবি উঠছে।