ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার কর্ণাটকের নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন রামালিঙ্গা রেড্ডি। এর তিনদিন পর আজ শুক্রবার পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। দফতর বণ্টন নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়েই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে রেড্ডি বলেন, ‘ডি কে শিবকুমার তাকে বেঙ্গালুরু উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তাকে সেচ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়, যা তার কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না।’তিনি আরও বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার আগে ডি কে শিবকুমার আমার বাড়িতে এসেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আমাকে বেঙ্গালুরুর দায়িত্ব দেয়া হবে। আমি কোনো নির্দিষ্ট দফতর চাইনি, তিনিই প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং আমি তাতে সম্মতি জানিয়েছিলাম।’এটি মেনে নিতে পারেননি উল্লেখ করে রেড্ডি বলেন, ‘এ কারণেই আমি মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।’ তিনি আরও বলেন, এখন তার পছন্দের কোনো দফতর দেয়া হলেও তিনি শিবকুমারের মন্ত্রিসভায় আর যোগ দেবেন না।এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এরইমধ্যে আরও কয়েকজন মন্ত্রী সরকারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।বুধবার (৩ জুন) কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন কংগ্রেস নেতা ও সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী ডি. কে. শিবকুমার। তার সঙ্গে আরও ১৩ জন মন্ত্রী শপথ নেন। জি. পরমেশ্বর উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। নতুন মন্ত্রিসভার অনেক সদস্যই আগের সরকারের অংশ ছিলেন।