সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
নিজেকে নিয়ে মানহানিকর ও বানোয়াট তথ্য প্রকাশের অভিযোগ তুলে বর্তমান সাতক্ষীরা পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদকের কাছে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন এক ভুক্তভোগী ব্যক্তি।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বিগত কিছু সময় ধরে বর্তমান সাতক্ষীরা পত্রিকা এবং তাদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তাকে নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ পোস্ট প্রকাশ করা হচ্ছে। এসব পোস্ট সাধারণ পাঠক ও দর্শকদের বিভ্রান্ত করার পাশাপাশি নোংরা মন্তব্য ও শেয়ারে উৎসাহিত করছে, যা তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক মর্যাদাকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, পত্রিকাটির তথ্যের একমাত্র উৎস হিসেবে ব্যবহৃত ব্যক্তি আনিস বিশ্বাস ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে মুচলেকা দিয়ে স্বীকার করেছেন যে, তার দেওয়া তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট ছিল। ওই মুচলেকায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও সামাজিক ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই এসব তথ্য ছড়ানো হয়েছিল।এছাড়াও অভিযোগে বলা হয়, আনিস বিশ্বাস আল্লাহর কাছে তওবা করে প্রকৃত সত্য প্রকাশ করেছেন, যা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছেও ইতোমধ্যে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়।
এ অবস্থায় ভুক্তভোগী পক্ষ থেকে পাঠানো লিখিত আল্টিমেটামে বলা হয়েছে—
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্তমান সাতক্ষীরা পত্রিকা ও তাদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রকাশিত তার সম্পর্কিত সকল মানহানিকর পোস্ট অপসারণ করতে হবে এবং পত্রিকার অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করতে হবে।
আল্টিমেটামে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে দণ্ডবিধির ৫০০ ও ৫০৬ ধারাসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে বর্তমান সাতক্ষীরা পত্রিকার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।