1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট নিজের নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকের নামে মামলা? মীর শাহীনকে ঘিরে পুরোনো মামলার নথি, ব্যবসা ও পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্ন তালা কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক হাফিজুর রহমান সরকারি ওষুধ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ শতভাগ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

ভোল পাল্টিয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের সহকারী ইঞ্জিনিয়ার! মনিরামপুর উপজেলার সাবেক পিআইও ইয়ারুল হক’র বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ (পর্ব ১)

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫০ বার পঠিত

যশোর মনিরামপুর প্রতিনিধিঃ উপজেলার সাবেক পিআইও ইয়ারুল হক এর বিরুদ্ধে ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে জাল মাস্টাররোলের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিন অনুসন্ধানে এসব তথ্য উদঘাটিত হয়েছে ।

২০১৭ সাল শুরু থেকে ২০১৮ সালের শেষ পর্যন্ত ৩ বছরে তার কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ হয়।টিআর,কাবিখা, কাবিটা ও জিআর প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে কোন রকম কাজ করে সিংহভাগ অর্থ লোপাট করা হয়।সাবেক প্রতিমন্ত্রী স্বপ্নন ভট্টাচার্যের পরিবারের সাথে পরস্পর যোগসাজশে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ নয় ছয় করা হয়।

অনুসন্ধানে যেয়ে দেখা গেছে, গৃহীত বেশিরভাগ প্রকল্পের অস্তিত্বই নেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে কথা বলে বেশিরভাগ প্রকল্পের হদিস পাওয়া যায়নি।স্থানীয় সূত্রগুলো দাবি করেছেন মন্ত্রী পরিবারের পাশাপাশি সাবেক পিআইও ইয়ারুলও কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। পিআইও ইয়ারুল নিজ এলাকা মেহেপুর,যশোর সাতক্ষীরা ও ঢাকায় নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ সহায় -সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন বলে সূত্রগুলোর দাবি। দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক গোপনে তদন্ত করলে মন্ত্রী পরিবারের পাশাপাশি পিআইও ইয়ারুলের বিরুদ্ধেও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের উৎস খুজে পাবে বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়,
২০১৬-২০১৭,২০১৭-২০১৮
ও ২০১৮-২০১৯অর্থবছরে টিআর,কাবিখা, কবিটা ও জিআর এর ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে জাল মাস্টার রোলের মাধ্যমে মন্ত্রী পরিবারের সাথে আঁতাত গড়ে তুলে ৩ বছরে বরাদ্দকৃত কোটি কোটি টাকার সিংহভাগ অর্থ লুটপাট করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অবশ্য এ ব্যাপারে মন্ত্রী পরিবারের বক্তব্য পাওয়া না গেলেও এ প্রতিবেদককে পিআইও ইয়ারুল বলেছেন, আমার কোনো বক্তব্য নেই। যা পারেন লেখেন।
এছাড়া কর্মসৃজন, আশ্রয়ন প্রকল্প, কালভার্ট, ব্রিজ নির্মান ও বিভিন্ন রাস্তা এইচবিবি করণ উন্নয়ন খাত থেকেও পিআইও ইয়ারুল হক বড় অংকের টাকা লুটেছেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট একটি সুত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আর যাদের নামে বিভিন্ন প্রকল্প তৈরি করে পিআইসি কমিটির মাধ্যমে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে অনুসন্ধানে তার অধিকাংশের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।পিআইসি কমিটির ভূয়া স্বাক্ষর করে জাল মাস্টারোলের মাধ্যমে অধিকাংশ প্রকল্পের কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করা হয়েছে বলে সূত্রগুলো দাবি করেছে।

এদিকে ৩ বছরে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রোহিতা, কাশিমনগর, ভোজগাতী, ঢাকুরিয়া, হরিদাসকাটি, মণিরামপুর, খেদাপাড়া, হরিহরনগর, ঝাঁপা, মশ্বিমনগর, চালুয়াহাটি, শ্যামকুড়, খানপুর, দূর্বাডাঙ্গা, কুলটিয়া, নেহালপুর এবং মনোহরপুরসহ ১৭টি ইউনিয়নে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে তার অধিকাংশের কোন অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় ঢাকুরিয়া ভবানিপুর গ্রামের বাসিন্দা রাশেদুল ইসলাম জানান, আমাদের গ্রামের ঠিকানায় একাধিক প্রকল্প দেখিয়ে টাকা উত্তোলনের কথা শুনেছি। তবে বাস্তবে উন্নয়নে কোনো কাজ হয়নি।ঢাকুরিয়া ইউনিয়নের হাফিজুর রহমান জানান, ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ভবানীপুর কোনো প্রকার উন্নয়নমূলক কাজ না করেই রাস্তা সংস্কার দেখিয়ে টন টন খাদ্য শস্য উত্তোলন করে লোপাট করেছেন দুর্নীতিবাজ পিআইও ইয়ারুল হক।
বক্স কালভার্ট এবং ইটের রাস্তা নির্মাণেও রয়েছে বড় ধরণের ঘাপলা।এস্টিমেটে গার্ডার ব্রিজ নির্মাণে পাইলিং করে ব্রিজের ঢালাই দেয়ার নিয়ম থাকলেও কোনো প্রকার পাইলিং না করেই শুধুমাত্র ব্রিজের আরসিসি বেজ ঢালাই দিয়ে ঠিকাদারের সাথে যোগসাজশে প্রতিটি ব্রিজ থেকে পাইলিং বাবদ লাখ লাখ টাকা বিল উত্তোলন করে নিয়েছেন দুর্নীতির গডফাদার খ্যাত পিআইও ইয়ারুল। যেসব রাস্তার উন্নয়ন হয়েছে তার অধিকাংশ রাস্তার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কম রয়েছে। সরেজমিন যাচাই করলে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে।নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো দাবি করেছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং দুদক সঠিকভাবে তদন্ত করলে পিআইও ইয়ারুল হক’র আমলে ৩ বছরে বাস্তবায়িত বড় ধরণের ঘাপলার সত্যতা পাওয়া যাবে। অপরদিকে ত্রান ও দুর্যোগ অধিদপ্তরের ২০০৬ ব্যাচের তার এক সহকর্মী বলেন, যশোরের সাবেক মন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যের নিজ উপজেলা মনিরামপুরে পিআইও ইয়ারুল ৩ বছর চাকুরি করে মন্ত্রী পরিবারের লোকজনের সাথে ঘুষ- বাণিজ্যের সখ্যতা গড়ে তুলে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। আর অবৈধভাবে উপার্জিত টাকা দিয়ে তিনি নিজ জন্মস্থান মেহেরপুর ,যশোর,সাতক্ষীরা এবং রাজধানী ঢাকায় নামে-বেনামে জমি,বাড়ি,গাড়িসহ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ গড়ে তুলেছেন।
এবিষয়ে মনিরামপুর উপজেলার সাবেক পিআইও ইয়ারুল সাথে মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আপনি যা লেখার লেখেন, আমার কোনো বক্তব্য নেই

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park