তূর্য হোসেন স্টাফ: রিপোর্টার।
এলাকায় পাড়া-প্রতিবেশীদের ভিতরে বছরের পর বছর ধরে আধিপত্য বিস্তারের নগ্ন প্রচেষ্টা।
বসবাসকারী নারী-পুরুষদের চরিত্রে কলঙ্কজনক মিথ্যা দোষারোপ করে আসছে নাজমা নামের প্রবাসীর স্ত্রী। এলাকায় কেউ ভালো না , একমাত্র নাজমা এবং তার বখাটে পুত্ররাই ভালো এমন দাবি নাজমার।নাজমার অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।তাদের দাপটের কাছে এলাকার সাধারণ মানুষ অসহায়।ইতিপূর্বে তিন থেকে চারবার স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য সালিশ বৈঠক হয় কিন্তু সেগুলো ব্যর্থ হয়।নাজমা ও তার ২ পুত্র বিজয় ও হৃদয়ের দাবি তালগাছ তাদের। এদিকে এর সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কথা উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে বিকারগ্রস্ত এই প্রবাসী পরিবারের স্ত্রী ও দুই পুত্র তারা অন্যের জমি নিজেদের দখলে রেখেছে জোর করে।
এ নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে ট্রিপল নাইনে ফোন মিথ্যা অভিযোগ খবর পেয়ে সংবাদিক দের বিচরণ সহ এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে বেশ কয়েকবার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কোন কিছুতেই বিকারগ্রস্ত ওই পরিবারের সদস্য বিজয় হৃদয় ও গৃহবধূ নাজমাকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। ক্ষেপাটে ও মারমুখী আচরণ করে চলেছে তারা ২৪ ঘন্টা। বাড়ির সামনে কেউ গেলেই দৌড়ে ৩-৪টি মোবাইল ফোনে তাদের ভিডিও ধারণ করে তারা। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং মারমুখী আচরণ করে উক্ত বিকারগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা। এলাকাবাসী তাদের অত্যাচারে এবং ঢালাওভাবে নারীদের উপরে কলঙ্ক লেপনের কারণে খুবই অসহায় ও মর্মন্তুদ অবস্থায় প্রতিকারের আশায় সাংবাদিক পুলিশ এবং গ্রাম্য মন্ডল মাতব্বরের শরণাপন্ন হয়েছেন।এরমধ্যে আবার নতুন উৎপাত ঘটে গেল । গতকাল রবিবার বিকাল পাঁচটার দিকে জামিরুলের ভাতিজা বাড়ি ফেরার সময় উক্ত নাজমা, বিজয় এবং হৃদয় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র হাতে তার গতিরোধ করে। হৃদয় গলায় হাসুয়া ঠেকিয়ে ধরে রাখে এবং বিজয় লোহার পাইপ দিয়ে তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। নাজমার হুকুমে এই সন্ত্রাসী হামলায় অংশ নেয় তার পুত্র দ্বয়। ঘটনার আর্তচিৎকারে ভিকটিম পাপনকে আসামিদের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য সোহেল এবং জামিরুল এগিয়ে আসলে আসামিরা সোহেল এবং জামিরুল এর উপরেও চড়া হয় এবং তাদেরকে বেদম মারপিট করে। ঘটনাস্থলের আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা ভয়-ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে সরে যায়। এরপর চিকিৎসার জন্য আহতদেরকে দ্রুত ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নেয়া হয়। এ ঘটনায় ভেড়ামারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।এলাকাবাসী নাজমা ও তার দুই পুত্র বিজয় ও হৃদয়ের ভয়ংকর ছোবল থেকে তাদেরকে বাঁচানোর জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এলাকাবাসী বলেছেন প্রবাসীর স্ত্রী নাজমা খাতুনের নেতৃত্বে তার বখাটে পুত্ররা সব সময় হাতে লাঠি সোটা নিয়ে লাঠিয়াল বাহিনীর মতো যে কারোর সাথে ঝগড়া বিবাদে জড়াচ্ছে এবং মারপিটে অংশ নিচ্ছে। এর ফলে গত কয়েকদিন ধরে উক্ত এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসী কারোর মধ্যেই কোন শান্তি নেই। এমতাবস্থায় লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টায় নিয়োজিত থাকা অভিভাবক বিহীন উক্ত পরিবারের উগ্র সদস্যদেরকে নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে এলাকায় শান্তি আনয়ন করা খুবই জরুরী। এলাকাবাসীর আশঙ্কা , অতি দ্রুত এর একটা নিষ্পত্তি করা না গেলে এবং দোষীদের শাস্তি প্রদান করা সম্ভব না হলে এলাকায় বড় ধরনের অঘটন বা রক্তপাতের আশঙ্কা রয়েছে।