সাতক্ষীরা অফিস: সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার সরুলিয়া ইউনিয়নের বড়বিলা এলাকায় সরকারি গরুরহাট দখল নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের পর প্রশাসনের মধ্যে ব্যাপক তৎপরতা দেখা গেছে। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব তারক চন্দ্রের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগ প্রকাশের পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর একাংশ দাবি করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে সরকারি গরুরহাটের জমি দখলের চেষ্টা চলছিল। সর্বশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারা নতুন করে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। অনেকেই অভিযোগ করেন, “৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে শুধু দখল প্রক্রিয়া সহজ করা হয়নি, বরং প্রশাসনিক সহায়তার আড়ালে আরও বড় অঙ্কের লেনদেন হয়েছে।”এদিকে, কয়েকজন ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তাদের কাছ থেকেও বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দাবি করা হয়েছে। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে অর্থ দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন।
ঘটনার পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাত খান পুনরায় জানিয়েছেন, “অভিযোগের বিষয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। যাচাই-বাছাই শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারি জমিতে কোনো অবৈধ স্থাপনা থাকলে তা উচ্ছেদ করা হবে।”এদিকে, সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিতর্কিত গরুরহাট এলাকার কিছু অংশে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
সচেতন মহলের মতে, সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। তারা বলছেন, “এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে সরকারি জমি দখলের প্রবণতা আরও বাড়বে।”
এলাকাবাসী দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা প্রশাসনের কাছে গরুরহাটের জমি দখলমুক্ত করে পুনরায় জনস্বার্থে ব্যবহারের আহ্বান