স্টাফ রিপোর্টারঃসাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডে কর্মরত পিয়ন খোরশেদ আলমকে ঘিরে নানা প্রশ্ন এখন স্থানীয় জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে। একজন সাধারণ চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হয়েও কীভাবে তিনি প্রভাবশালী ব্যক্তিতে পরিণত হলেন, কোথা থেকে এলো বিপুল সম্পদের পাহাড়—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন সাধারণ মানুষ।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি চাকরির সীমিত বেতনের আড়ালে খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অর্থ লেনদেন, দালালি, ঠিকাদারি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, নিজের প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন কাজের নামে অর্থ আদায়, নিয়োগ বাণিজ্য ও অফিসকেন্দ্রিক সুবিধা বাণিজ্যের মাধ্যমেই গড়ে তুলেছেন বিপুল সম্পদ।এলাকাবাসীর দাবি, একজন পিয়নের পক্ষে বিলাসবহুল জীবনযাপন, একাধিক সম্পত্তি ক্রয় এবং পরিবারের সদস্যদের নামে ব্যবসায়িক লাইসেন্স নেওয়া স্বাভাবিক নয়। ফলে তার আয়ের উৎস ও সম্পদের হিসাব নিয়ে এখন নানা মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে একাধিক নারী কেলেঙ্কারির ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরও প্রশাসনিকভাবে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন কোন শক্তির বলে বারবার অভিযোগ উঠলেও বহাল তবিয়তে রয়েছেন খোরশেদ আলম?সচেতন মহল বলছে, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে অবৈধ সম্পদ, ক্ষমতার উৎস এবং দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি বলে মনে করছেন তারা