তেতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব ও বর্তমানে কুল্লা ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত মীর আব্দুল বারেককে নিয়ে সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে আমরা তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। উক্ত সংবাদের অভিযোগসমূহ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর।
প্রকাশিত সংবাদের কোথাও অভিযোগের পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ, আদালতের রায় কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়নি। বরং অনুমাননির্ভর, অতিরঞ্জিত ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের মাধ্যমে একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মচারীর ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।
আরও দুঃখজনক বিষয় হলো—সংবাদ প্রকাশের পূর্বে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ করা হয়নি, যা সাংবাদিকতার ন্যূনতম নৈতিকতা, পেশাগত শিষ্টাচার এবং ন্যায্যতার নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
আমরা লক্ষ্য করছি, একটি স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কিছু সাংবাদিককে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও অসম্পূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে ব্যক্তি বিশেষকে সামাজিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। যাচাই-বাছাই ছাড়াই এসব তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা ও পেশাদারিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।আমরা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের নিকট অনতিবিলম্বে প্রকাশিত সংবাদের জন্য দুঃখপ্রকাশ ও সংশোধনী প্রকাশের জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায়, মানহানি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের দায়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করা হলো। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অবশ্যই কাম্য ও প্রয়োজনীয়, তবে সেই স্বাধীনতার অপব্যবহার করে ব্যক্তি বিশেষকে হেয় করা ও জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।এই প্রতিবাদ বিবৃতিটি যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হলো।