দৈনিক যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক যশোর বার্তা পত্রিকায় এবং বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত “অভিযোগের পাহাড়, নীরব প্রশাসন—খাজরায় বাচ্চু বিতর্কে তদন্ত কেন থমকে আছে” শিরোনামের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর। উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
খাজরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বাচ্চুর বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ আনার মাধ্যমে একটি কুচক্রি মহল পরিকল্পিতভাবে তাঁর সুনাম নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। প্রকৃত অনুসন্ধানে জানা যায়, আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বাচ্চুর নিকট একজন কথিত সাংবাদিক নিয়মিতভাবে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে তাঁর চাহিদামতো টাকা নেওয়া হয়েছে।
হঠাৎ করে সেই সাংবাদিকের দাবি অনুযায়ী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হলে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে বিভ্রান্তিকর ও মনগড়া তথ্য দিয়ে বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করে তাঁর সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।খাজরা ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ জানেন, সাইফুল ইসলাম বাচ্চু দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে অত্যন্ত সুনাম ও সততার সঙ্গে তাঁর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। কিছু কুচক্রি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়িয়ে তাঁকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে।
এ বিষয়ে সাইফুল ইসলাম বাচ্চু বলেন,
“এই সাংবাদিক আমার কাছ থেকে আগেও বিভিন্ন সময়ে টাকা নিয়েছেন। হঠাৎ একদিন আবার টাকা দাবি করলে আমি তা দিতে না পারায় আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করেছেন। আপনারা নিরপেক্ষভাবে যাচাই-বাছাই করে দেখুন—আমি যদি কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়মে জড়িত থাকি, তাহলে প্রমাণসহ বলা হোক। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তি মেনে নেব।”তিনি আরও বলেন,একজন প্রকৃত সাংবাদিকের দায়িত্ব সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তুলে ধরা। কিন্তু সামান্য টাকার লোভে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করানো হয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।”এ কারণে উক্ত মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষের নিকট সত্য যাচাই করে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।