নিজস্ব প্রতিবেদক’সাংবাদিক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান তার বৈবাহিক জীবনে প্রতারণা, মানসিক নির্যাতন, সামাজিক অপপ্রচার ও পারিবারিক অশান্তির অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস প্রকাশ করেছেন। ওই স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, বিগত পাঁচ বছর ধরে চলমান তার রেজিস্ট্রি করা বৈবাহিক সম্পর্কের মধ্যে তার স্ত্রী গোপনে সাবেক স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে তাকে শারীরিক, মানসিক, আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন।
মোস্তাফিজুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২১ ও ২০২২ সালে তাদের দাম্পত্য জীবন স্বাভাবিক ও সুখের ছিল। তবে ২০২৩ সালের মাঝামাঝি থেকে সম্পর্কের অবনতি শুরু হয়। তিনি অভিযোগ করেন, তার স্ত্রীর সাবেক স্বামী পুনরায় যোগাযোগ শুরু করার পর পারিবারিক অশান্তি বাড়তে থাকে এবং বিভিন্ন সময়ে তাকে অপমান, গালিগালাজ ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়।তিনি আরও দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট, ছবি ও মন্তব্যের মাধ্যমে তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মানহানির শিকার করা হয়েছে। সম্প্রতি কিছু ছবি ও পোস্ট দেখার পর তিনি বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে তাকে ব্লক করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।স্ট্যাটাসে তিনি জানান, বিগত পাঁচ বছরে তিনি স্ত্রী ও তার আগের সংসারের সন্তানকে নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করেছেন এবং পরিবারটির আর্থিক দায়িত্ব বহন করেছেন। এর পরও তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।এ ঘটনায় তিনি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং বিজ্ঞ আইনজীবী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পরামর্শ চেয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও মানহানির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, পারিবারিক বিরোধ, মানহানি বা ডিজিটাল মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সাপেক্ষে আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন। তবে যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে আদালতের রায় বা তদন্তের আগ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইনগতভাবে