নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানা এলাকায় দুই–তিন বছর আগে সংঘটিত আলোচিত ফারুক হত্যা মামলাটি আবারও আলোচনায় এসেছে। রাজেন্দ্রপুর গ্রামের একটি বাঁশবাগানে বিশ্বজিৎ সাধুর জমিতে ফারুকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সে সময় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।
মামলার নথিপত্র ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঘটনার পেছনের কারণ ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে নানা সময়ে আলোচনা হয়েছে। সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে তুবা পাইপের মালিক মীর শাহিনের নাম বিভিন্ন মহলে আলোচনায় উঠে এসেছে। তবে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, ঘটনার আগে ও পরে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তির গতিবিধি এবং সম্ভাব্য ব্যবসায়িক বিরোধ নিয়ে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। তারা মনে করছেন, মামলার পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত চিত্র সামনে আসতে পারে।তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মামলাটি নতুন করে পর্যালোচনার দাবি উঠেছে। পূর্ব শত্রুতা, আর্থিক লেনদেন এবং ব্যক্তিগত বিরোধ— সবকিছুই গুরুত্বসহকারে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে মীর শাহিনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার মতামত জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
এদিকে, এলাকাবাসীর প্রশ্ন— দুই–তিন বছর পেরিয়ে গেলেও আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য পুরোপুরি উদঘাটিত হয়নি কেন? তারা দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
ফারুক হত্যা মামলার অগ্রগতি ও নতুন তথ্য নিয়ে পুরো সাতক্ষীরা জেলাবাসীর দৃষ্টি এখন তদন্তের দিকেই। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে পরবর্তী আপডেট প্রকাশ করা হবে।