1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট নিজের নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকের নামে মামলা? মীর শাহীনকে ঘিরে পুরোনো মামলার নথি, ব্যবসা ও পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্ন তালা কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক হাফিজুর রহমান সরকারি ওষুধ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ শতভাগ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

পাটকেলঘাটা খলিষখালীতে আড়াই কোটি টাকা ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার তিন তিন লাখ টাকা উদ্ধার, এএসআই বি এম তৌহিদুজ্জামানের তৎপরতায় এলাকাজুড়ে প্রশংসা

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৯৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:তালা, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার খলিষখালী ইউনিয়নের গণেশপুর গ্রামে সংঘটিত আলোচিত আড়াই কোটি টাকা ডাকাতির ঘটনায় পুলিশি অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। এ ঘটনায় জড়িত মোকসেদ, হাফিজুর ও সাঈদ নামের তিনজন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে খলিষখালী পুলিশ ক্যাম্প। অভিযানে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে লুটকৃত তিন লাখ টাকা।খলিষখালী পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই বি এম তৌহিদুজ্জামান–এর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে পুলিশ সদস্য সাদ্দাম ও অমিতও উপস্থিত ছিলেন। তিনজনের যৌথ তৎপরতায় দ্রুত গ্রেপ্তার ও অর্থ উদ্ধার সম্ভব হয়। ডাকাতির মতো স্পর্শকাতর ও বহুল আলোচিত একটি ঘটনায় অল্প সময়ের মধ্যে রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তারে এলাকাজুড়ে পুলিশের ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর থেকেই এএসআই বি এম তৌহিদুজ্জামান নিরলসভাবে তদন্তে যুক্ত ছিলেন। রাতদিন এক করে তথ্য সংগ্রহ, সন্দেহভাজনদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং স্থানীয় সোর্সের সমন্বয়ে তিনি দ্রুত অভিযানে নামেন। তার পেশাদারিত্ব ও আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই স্বল্প সময়ের মধ্যে অভিযুক্তরা আইনের আওতায় আসে এবং লুটকৃত অর্থের একটি অংশ উদ্ধার সম্ভব হয়।
এলাকাবাসীর ভাষ্য,এত বড় একটি ডাকাতির ঘটনার পর মানুষ ভয় ও আতঙ্কে ছিল। কিন্তু পুলিশ যেভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে, বিশেষ করে এএসআই বি এম তৌহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে সাদ্দাম ও অমিতের ভূমিকা ছিল সাহসী ও প্রশংসনীয়।”স্থানীয়দের মতে, পুলিশের এই তৎপরতা সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আস্থা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি অপরাধীদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা—আইনের হাত থেকে কেউ রেহাই পাবে না।
এদিকে তদন্তের অংশ হিসেবে ডাকাত দলের সদস্য মোকসেদের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাটকেলঘাটা থানায় নেওয়া হয়েছে। পুলিশ আশা করছে, জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত করা এবং বাকি লুট হওয়া অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park