সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:নিজের অবাধ দুর্নীতি ও একাধিক পরোকীয়া প্রেমের নিউজ বন্ধে লাখ টাকা দিয়ে সাংবাদিকদের দিয়ে নতুন খেলায় মেতেছেন নায়েব শর্মিষ্ঠা।তাকে অনেকেই চেনেন মাক্স লেডি হিসাবে। সবসময় মুখে মাক্স পড়ে নিয়ন্ত্রণ করেন তার কর্মস্থলের ভূমি জগতের ঘুষ সিন্ডিকেট। ঘুষেরর টাকা না পেলে কোন সেবাই দেন না বরং হয়রানি পোহাতে হয় সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের। ঘুষের চেয়ার টিকিয়ে রাখতে পরোকীয়া প্রেমে জড়িয়েছিলেন একাধিক পুরুষের সাথে। একদিকে উদ্ধর্তন কর্মকর্তাদের সাথে গভীর ঘনিষ্ঠতা অপরদিকে এক গণমাধ্যম কর্মীর সাথে অবাধ মেলামেশা। নিজের চেয়ার টিকিয়ে রাখতে সব কিছু করতে পারেন এই ভূমি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা। এক গণমাধ্যম কর্মীর সাথে ভূমি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সরকারের প্রেমের কলরেকর্ড,আপত্তিকর ফেসবুক হোয়াইটস অ্যাপে চ্যাটিং ফাঁস হলে সেটা নিয়ে চলছে তীব্র আলোচনা সমালোচনা। কলরের্কডে নায়েব শর্মিষ্ঠা বলছে আমাকে ছেড়ে গেলে আমি আত্মাহত্যা করব। আমি মরে যেয়ে প্রতিশোধ নেব। ভালবাসার সব রকম অত্যাচার আমি সইব তবুও তুমি আমারই থাকো। তার এই কথাপোকথনে প্রেমের ফাঁদে পড়ে ওই গণমাধ্যম কর্মী । অনুসন্ধানে জানা যায়, তার পূর্বের কর্মস্থল কালিগঞ্জের ভাড়াশিমলা, বসন্তপুর ভূমি অফিসে থাকা কালীন সরকারি তফসিল ভুক্ত জমি নামজারি কারার জন্য লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। নামাজরি,খাজনা দাখিলা,রিপোর্ট প্রদানে ছিল তার দালাল সিন্ডিকেট। তার বেতন ৩৫ হাজার হলেও, দুটি বাসা ভাড়া, পার্লার খরচ, মায়ের সংসারে টাকা প্রদান, সন্তানকে উন্নত কলেজে লেখাপড়ায় সাংসারিক ব্যায় লাখ টাকার উপরে। রির্জাভ গাড়িতে খুলনা কালিগঞ্জ চলাফেলা সহ করেন রাজকীয় জীবন যাপন। সবকিছু সম্ভব হয়েছে ঘুষের টাকায়। তার প্রেমে নিংস্ব ভুক্তভোগী ভাড়াশিমলার সনজিত বলেন, নায়েব শর্মিঁষ্ঠা ভাড়াশিমলা যোগদানের পর আমার সাথে পরিচয় হয়। আমি তখন ভূমি অফিসে নামজারি কাজ করতাম। তার সাথে কথা বলতে বলতে ফেসবুকে এড হয়ে ম্যাসেঞ্জারে কথা বলা শুরু হয়।সে যখন তার পারিবারিক অশান্তির কথা শেয়ার করে তখন তার প্রতি অনুভূতি সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে প্রেমে জড়িয়ে পড়ি আমরা। কিন্তু তার প্রেমটা ছিল নাটকীয়তা আমার ব্যবহারের স্বার্থে। আমি তাকে সত্যিকারে ভলাবেসে এখন ভবঘুরে হয়ে ঘুরে বেড়ায়। আরেক ভুক্তভোগী তারালীর সুমন বলেন, আমার রেন্টটাকারে গাড়ির ব্যবসা ছিল। সে খুলনায় তার ছেলের সাথে দেখা করার সুবাদে গাড়ি ভাড়া নিত প্রায় সময়। এক পর্যায়ে তার মিষ্টি আলাপে প্রেম সৃষ্টি হয় সে একইভাবে আমার প্রেমে সাড়া দেয়। আমি প্রায় তার স্কুটিতে ভাড়াশিমলা ভূমি অফিসে যেতাম এটা ওই অফিসের সকল স্টাফ জানে। সে আমাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণা করেছে।
বর্তমান সময়ে আলোচিত গণমাধ্যম কর্মীর সাথে প্রেম নিয়ে কথা বললে ওই গণমাধ্যম কর্মী জানান, দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করতে গিয়ে তার সাথে পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে কথা বলতে বলতে ধীরে ধীরে প্রেম হয়। সে আমাকে বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করেছে তার ঘুষ বাণিজ্য ঠেকাতে। প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিভিন্ন দামী উপহার সহ নগদ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এখন সে সম্পর্ক রাখবে না বলে বিভিন্ন ভাবে এখন আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে চলছে।ওই গণমাধ্যম কর্মীর সাথে প্রেমের সকল ডকুমেন্টস, কল রেকর্ড বর্তমান সাতক্ষীরা পত্রিকা অফিসে সরবরাহ করেছে সেটা সংরক্ষিত রয়েছে। অভিযুক্ত বহুল আলোচিত শীর্ষ দুর্নীতিবাজ নায়েব শর্মিঁষ্ঠা সরকারকে একাধিকবার তার ব্যবহৃত তিনটা নাম্বারে ফোন দিলে ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায় নি।